Showing all 3 results

  • চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ও বাংলাদেশ

    প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদ, জন্ম ১৯৮০ সালে কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার বান্দুয়াইন গ্রামে। ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক। তিনি ১৯৯৭ সালে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও ১৯৯৯ সালে ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল-এ স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৫ থেকে ২০০৭ সময়কালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ অধ্যয়ন করেন।
    ২০০৫ থেকে অদ্যাবধি টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে বাংলাদেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি সিনিয়র সফটওয়্যার সল্যুশন আর্কিটেক্ট হিসেবে ‘ভোডাফোন জিজ্ঞো’ নেদারল্যান্ডসে কর্মরত আছেন। ইতিপূর্বে তিনি এলকাটেল লুসেন্ট বাংলাদেশ, টেলিকম মালয়েশিয়া বাংলাদেশ একটেল (বর্তমান রবি), এমটিএন কমিউনিকেশনস নাইজেরিয়া, এরিকসন নাইজেরিয়া, এরিকসন ঘানা, এরিকসন দক্ষিণ কোরিয়া, এরিকসন নেদারল্যান্ডসে কাজ করেছেন। পেশাগত জীবনে তিনি দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক ডিজাইন ও বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন।
    জনাব ফয়েজ তৈয়্যব একজন ‘টেকসই উন্নয়ন ও অবকাঠামো’ বিষয়ক প্রবন্ধকার। তিনি তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও পেশাদারত্বের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার আলোকে দেশের আর্থসামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চান।
    তার লেখায় যা বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়: সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের নিরিখে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন পদ্ধতিগত দিক, বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকল্পের ডিজাইন ত্রুটি, অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি ইত্যাদি খাতের কারিগরি ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোগত সংস্কার, জলবায়ু পরিবর্তনের কারিগরি প্রস্তুতি, ম্যাক্রো ও মাইক্রো ইকোনমিক ম্যানেজমেন্টের কারিগরি দিক ও অটোমেশন। সামাজিক সংযোগের দিক থেকে উনি একজন টেকসই উন্নয়নকর্মী, ব্লগার ও অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট। গ্রিনপিস নেদারল্যান্ডসের সদস্য। দেশের শীর্ষস্থানীয় পত্রিকাগুলোতে নিয়মিত উপসম্পাদকীয় লিখেন।
    [email protected]

    ৳ 544৳ 640
  • ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের তিনটি বই

     

    প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদ, জন্ম ১৯৮০ সালে কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার বান্দুয়াইন গ্রামে। ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক। তিনি ১৯৯৭ সালে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও ১৯৯৯ সালে ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল-এ স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৫ থেকে ২০০৭ সময়কালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ অধ্যয়ন করেন।
    ২০০৫ থেকে অদ্যাবধি টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে বাংলাদেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি সিনিয়র সফটওয়্যার সল্যুশন আর্কিটেক্ট হিসেবে ‘ভোডাফোন জিজ্ঞো’ নেদারল্যান্ডসে কর্মরত আছেন। ইতিপূর্বে তিনি এলকাটেল লুসেন্ট বাংলাদেশ, টেলিকম মালয়েশিয়া বাংলাদেশ একটেল (বর্তমান রবি), এমটিএন কমিউনিকেশনস নাইজেরিয়া, এরিকসন নাইজেরিয়া, এরিকসন ঘানা, এরিকসন দক্ষিণ কোরিয়া, এরিকসন নেদারল্যান্ডসে কাজ করেছেন। পেশাগত জীবনে তিনি দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক ডিজাইন ও বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন।
    জনাব ফয়েজ তৈয়্যব একজন ‘টেকসই উন্নয়ন ও অবকাঠামো’ বিষয়ক প্রবন্ধকার। তিনি তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও পেশাদারত্বের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার আলোকে দেশের আর্থসামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চান।
    তার লেখায় যা বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়: সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের নিরিখে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন পদ্ধতিগত দিক, বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকল্পের ডিজাইন ত্রুটি, অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি ইত্যাদি খাতের কারিগরি ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোগত সংস্কার, জলবায়ু পরিবর্তনের কারিগরি প্রস্তুতি, ম্যাক্রো ও মাইক্রো ইকোনমিক ম্যানেজমেন্টের কারিগরি দিক ও অটোমেশন। সামাজিক সংযোগের দিক থেকে উনি একজন টেকসই উন্নয়নকর্মী, ব্লগার ও অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট। গ্রিনপিস নেদারল্যান্ডসের সদস্য। দেশের শীর্ষস্থানীয় পত্রিকাগুলোতে নিয়মিত উপসম্পাদকীয় লিখেন।
    [email protected]

    ৳ 1,614
  • বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ক‍‍র্মসহায়ক গবেষণা

    মুহাম্মদ সালাহউদ্দিন, সাংবাদিকতা দিয়ে ক‍‍র্মজীবন শুরু হলেও শিক্ষা ও গবেষণার প্রতি প্রবল আগ্রহ থেকেই ব‍‍র্তমানে তিনি শিক্ষা গবেষক। কাজ করছেন জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমিতে (নেপ) সহকারী বিশেষজ্ঞ হিসেবে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইআর) থেকে শিক্ষা বিষয়ে স্নাতক (সম্মান), শিক্ষায় মূল্যায়ন ও গবেষণা বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। একই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা বিষয়ে এমফিল ডিগ্রি অ‍‍র্জন করেন। তিনি শিক্ষা গবেষণার সঙ্গে ছাত্রজীবন থেকেই সম্পৃক্ত ছিলেন এবং ক‍‍র্মক্ষেত্রেও শিক্ষা গবেষণা নিয়ে কাজ করছেন। এ ছাড়া তিনি ইউনিসেফ, ইউনেসকো, ইউএনএইচসিআর, আইওএম, সেভ দ্য চিলড্রেন, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল, ব্রিটিশ কাউন্সিল, ইংলিশ ইন অ্যাকশন, মেরী স্টোপস বাংলাদেশসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্ত‍‍র্জাতিক প্রতিষ্ঠানে গবেষণা পরাম‍‍র্শক হিসেবে কাজ করেছেন। তার বিশের অধিক গবেষণা প্রবন্ধ ইতিমধ্যে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্ত‍‍র্জাতিক জা‍র্নালে প্রকাশিত হয়েছে। যৌথভাবে তার দুটি বই যথাক্রমে ২০১৩ সালে ‘Academic Educational Research in Bangladesh: Methodological Trends’ জা‍র্মানি থেকে এবং ২০১৫ সালে ‘Impact of Connecting Schools: Project on Students Achievement’ বাংলাদেশ ক‍‍র্তৃক প্রকাশিত হয়েছে।
    রাবেয়া খাতুন, শিক্ষা নিয়ে পড়াশোনা করে প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (পিটিআই) শিক্ষক শিক্ষা নিয়ে বর্তমানে কাজ করছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইআর) থেকে শিক্ষা বিষয়ে স্নাতক (সম্মান), শিক্ষায় মূল্যায়ন ও গবেষণা বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। শিক্ষা গবেষণা বিষয়ে পড়াশোনার সুবাদে শিক্ষা গবেষণার প্রতি তৈরি হয় গভীর অনুরাগ। এর আগে তিনি ইউনিসেফ, ইংলিশ ইন অ্যাকশন, রুম টু রিড, সেভ দ্য চিলড্রেনসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্ত‍‍র্জাতিক প্রতিষ্ঠানের গবেষণা কা‍‍র্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার লেখা একাধিক গবেষণা প্রবন্ধ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি জা‍র্নালে ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। এটি লেখকের ক‍‍র্মসহায়ক গবেষণাবিষয়ক প্রথম বই।

     

    ৳ 290৳ 340