Showing all 5 results

  • গল্পে গল্পে অণুজীব আবিষ্কার

    সঞ্জয় মুখার্জীর জন্ম ১৬ আগস্ট, ১৯৮৯, রংপুরে। শৈশব কেটেছে ঢাকায়, কৈশোর রংপুরে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অণুজীববিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে কর্মজীবন শুরু করেন আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণাপ্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশে (আইসিডিডিআর,বি)। ছাত্রাবস্থা থেকেই শিক্ষকতার প্রতি প্রবল আকর্ষণের কারণে পরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। বর্তমানে সেখানেই শিক্ষকতা করছেন।
    ভালোবাসেন শিখতে, শেখাতে, লিখতে, বাঁশি বাজাতে আর খেলাধুলা করতে। অনেক স্বপ্ন রয়েছে তার। স্বপ্নগুলো লালন করে চলেছেন, একদিন ডানা মেলে আকাশে উড়িয়ে দেবেন বলে।

    ই-মেইল: [email protected]
    ওয়েবসাইট: sanjoymukharjee.comy

    ৳ 210৳ 250
  • গল্পে-জল্পে জেনেটিক্স ১ম খণ্ড

    চমক হাসানের জন্ম ২৮ জুলাই, ১৯৮৬, কুষ্টিয়ায়। বাবা আহসানুল হক, মা নওরাজিস আরা জাহান। এইচএসসি পর্যন্ত লেখাপড়া কুষ্টিয়াতেই। বুয়েট থেকে তড়িৎকৌশলে স্নাতক এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ক্যারোলাইনা থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। বর্তমানে গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত আছেন ‘বোস্টন সায়েন্টিফিক করপোরেশন’-এ। স্ত্রী ফিরোজা বহ্নি এবং কন্যা বিনীতা বর্ণমালার সঙ্গে থাকেন ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টা ক্লারিটা শহরে।
    তার ভালো লাগে গাইতে, পড়তে, শিখতে, শেখাতে। চমক হাসান আশাবাদী মানুষ, স্বপ্ন দেখেন আলোকিত ভবিষ্যতের, যখন এ দেশের ছেলেমেয়েরা আনন্দ নিয়ে লেখাপড়া করবে, প্রশ্ন করতে ভয় পাবে না, মুখস্থ করে পাস করবে না। ওরা অনুভব করবে কেন, কীভাবে, কী হচ্ছে! গণিত অলিম্পিয়াড শুরুর সাথে সাথে এই আন্দোলনটাও শুরু হয়ে গেছে। তিনি সেই আন্দোলনের একজন কর্মী। গণিত অলিম্পিয়াডের একাডেমিক দলে প্রশিক্ষক, প্রশ্নপ্রণেতা ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করেছেন বেশ কিছুদিন। পাঠকের যেকোনো মন্তব্য তার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মন্তব্য জানাতে পারেন ই-মেইলে কিংবা ফেসবুকে তার অফিশিয়াল পেজে।

    ৳ 255৳ 300
  • গল্পে-জল্পে জেনেটিক্স ২য় খণ্ড

    চমক হাসানের জন্ম ২৮ জুলাই, ১৯৮৬, কুষ্টিয়ায়। বাবা আহসানুল হক, মা নওরাজিস আরা জাহান। এইচএসসি পর্যন্ত লেখাপড়া কুষ্টিয়াতেই। বুয়েট থেকে তড়িৎকৌশলে স্নাতক এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ক্যারোলাইনা থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। বর্তমানে গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত আছেন ‘বোস্টন সায়েন্টিফিক করপোরেশন’-এ। স্ত্রী ফিরোজা বহ্নি এবং কন্যা বিনীতা বর্ণমালার সঙ্গে থাকেন ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টা ক্লারিটা শহরে।
    তার ভালো লাগে গাইতে, পড়তে, শিখতে, শেখাতে। চমক হাসান আশাবাদী মানুষ, স্বপ্ন দেখেন আলোকিত ভবিষ্যতের, যখন এ দেশের ছেলেমেয়েরা আনন্দ নিয়ে লেখাপড়া করবে, প্রশ্ন করতে ভয় পাবে না, মুখস্থ করে পাস করবে না। ওরা অনুভব করবে কেন, কীভাবে, কী হচ্ছে! গণিত অলিম্পিয়াড শুরুর সাথে সাথে এই আন্দোলনটাও শুরু হয়ে গেছে। তিনি সেই আন্দোলনের একজন কর্মী। গণিত অলিম্পিয়াডের একাডেমিক দলে প্রশিক্ষক, প্রশ্নপ্রণেতা ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করেছেন বেশ কিছুদিন। পাঠকের যেকোনো মন্তব্য তার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মন্তব্য জানাতে পারেন ই-মেইলে কিংবা ফেসবুকে তার অফিশিয়াল পেজে।

    ৳ 289৳ 340
  • মহাবিশ্বের মহাযাত্রা

    মো. সাফায়াত হোসেন ও মো. শাহরিয়ার হোসেন দুই ভাই। বাবা মো. হোসেন শাহীদ সোহরাওয়ার্দী পেশায় ইঞ্জিনিয়ার, মা নূরমহল বেগম ও ছোট বোন ফারিয়া হোসেন। তাদের জন্ম ও বেড়ে ওঠা রাজশাহী শহরেই। দুই ভাই মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পড়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল থেকে। ছোট থেকেই দুজনে বিজ্ঞানে খুবই আগ্রহী ছিলেন। তারা সব সময় বিজ্ঞানের জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেন এবং স্বপ্ন দেখতেন বিজ্ঞান নিয়ে কিছু করার।

    সাফায়াত হোসেনের জন্ম ৩ মে ১৯৯৬ সালে। তিনি স্নাতক সম্পন্ন করেছেন তড়িৎকৌশল বিভাগে বাউয়েট (বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি) থেকে। তিনি ২০১৪ সালে রুয়েটে অনুষ্ঠিত অ্যাস্ট্রোফিজিকস অলিম্পিয়াডে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন। এ ছাড়া তিনি জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে ইচ্ছুক এবং স্বপ্ন দেখেন একজন সফল বিজ্ঞানী হওয়ার।

    শাহরিয়ার হোসেনের জন্ম ৬ জানুয়ারি ২০০২। তিনি ২০১৭ সালে বাংলাদেশ ফিজিকস অলিম্পিয়াডের রাজশাহী অঞ্চলে প্রথম স্থান অধিকার করেন। এ ছাড়া একাধিকবার বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড, ন্যাশনাল হাইস্কুল প্রোগ্রামিং কন্টেস্ট, বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোফিজিকস অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্যায়ে নির্বাচিত হন। তিনি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে ইচ্ছুক এবং স্বপ্ন দেখেন বিজ্ঞান নিয়ে বড় কিছু করার।

    ৳ 390৳ 460
  • সহজ হিসাববিজ্ঞান

    পুরো নাম মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন রেজা (নাদিম)। সবার কাছে পরিচিত নাদিম নামে। জন্ম ১৯৮৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর ঢাকার সবচেয়ে কাছের মফস্বল শহর বংশী নদী বিস্তৃত সাভার পৌর এলাকায়। বাবা মরহুম মো. আব্দুস সালাম ও মা মরহুমা মনোয়ারা বেগম। চার ভাই ও পাঁচ বোনের মধ্যে সবচেয়ে ছোট সন্তান নাদিম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল ও কলেজ থেকে ২০০৭ সালে মাধ্যমিক পাস করেন। ঢাকা সিটি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় মেধার স্বাক্ষর রেখে ২০০৯-১০ সেশনে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগে। লেখাপড়ায় অসাধারণ ফলাফলের স্বীকৃতিস্বরূপ ডিনস অ্যাওয়ার্ডসহ ২০১৩ সালে বিবিএ এবং একই বিভাগ থেকে ২০১৪ সালে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা অ্যাকাউন্টিং ফোরামের প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন ছাত্র অবস্থায়।
    ২০১৫ সাল থেকে বাংলাদেশের প্রথম সারির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ‘বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)’-তে একজন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে তিনি বিইউপিতে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কাজ করছেন। একাডেমিক দায়িত্বের পাশাপাশি নাদিম বিইউপিতে ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন ক্লাবের মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে তার বেশ কয়েকটি মৌলিক গবেষণার কাজ। ২০১৯ সালের অমর একুশে বই মেলায় নাদিমের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘শহরের গল্পে জোনাকির কবিতা’ প্রকাশিত হয়।
    লেখকের সহধর্মিণী তাহমিনা আক্তার পেশায় একজন কূটনীতিক। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন সহকারী সচিব হিসেবে কর্মরত আছেন।

    ৳ 187৳ 220