“ইঞ্জিনিয়ার আবুল হাশেম ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৭ সাল থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের পুরকৌশল বিভাগে কর্মরত থেকে ২০১৩ সালে অবসর গ্রহণ করেন। এর মধ্যে তিনি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অতিরিক্ত তিন বছর চাকুরি করার সুযোগ পেয়েছেন।
তিনি দুই সন্তানের জনক। তার স্ত্রী রইসুল আম্বিয়া একজন সুগৃহিণী। ছেলে জামশেদ আলম একজন ব্যবসায়ী এবং মেয়ে রোখসানা আক্তার রুপী ইংরেজি ভাষার একজন স্বনামধন্য শিক্ষক ও প্রসিদ্ধ লেখক।
লেখক আবুল হাশেম তার দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা আর নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি লেখালেখি করে, বই পড়ে, এবাদত-উপাসনায় একাগ্র হয়ে তার অবসর সময় কাটাচ্ছেন। তার ইহকাল ও পরকালের প্রশান্তি, সুস্থতা ও সাফল্যের জন্য তিনি সকলের কাছে দোয়াপ্রার্থী।
যোগাযোগ
https://trainingwithrokhsana.com
01711-184883, 01833-367994”

  • এক মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিকথা

    ইঞ্জিনিয়ার আবুল হাশেম ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৭ সাল থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের পুরকৌশল বিভাগে কর্মরত থেকে ২০১৩ সালে অবসর গ্রহণ করেন। এর মধ্যে তিনি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অতিরিক্ত তিন বছর চাকুরি করার সুযোগ পেয়েছেন।
    তিনি দুই সন্তানের জনক। তার স্ত্রী রইসুল আম্বিয়া একজন সুগৃহিণী। ছেলে জামশেদ আলম একজন ব্যবসায়ী এবং মেয়ে রোখসানা আক্তার রুপী ইংরেজি ভাষার একজন স্বনামধন্য শিক্ষক ও প্রসিদ্ধ লেখক।
    লেখক আবুল হাশেম তার দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা আর নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি লেখালেখি করে, বই পড়ে, এবাদত-উপাসনায় একাগ্র হয়ে তার অবসর সময় কাটাচ্ছেন। তার ইহকাল ও পরকালের প্রশান্তি, সুস্থতা ও সাফল্যের জন্য তিনি সকলের কাছে দোয়াপ্রার্থী।
    যোগাযোগ
    https://trainingwithrokhsana.com
    01711-184883, 01833-367994

    ৳ 150৳ 200