Showing all 5 results

  • এক মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিকথা

    ইঞ্জিনিয়ার আবুল হাশেম ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৭ সাল থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের পুরকৌশল বিভাগে কর্মরত থেকে ২০১৩ সালে অবসর গ্রহণ করেন। এর মধ্যে তিনি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অতিরিক্ত তিন বছর চাকুরি করার সুযোগ পেয়েছেন।
    তিনি দুই সন্তানের জনক। তার স্ত্রী রইসুল আম্বিয়া একজন সুগৃহিণী। ছেলে জামশেদ আলম একজন ব্যবসায়ী এবং মেয়ে রোখসানা আক্তার রুপী ইংরেজি ভাষার একজন স্বনামধন্য শিক্ষক ও প্রসিদ্ধ লেখক।
    লেখক আবুল হাশেম তার দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা আর নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি লেখালেখি করে, বই পড়ে, এবাদত-উপাসনায় একাগ্র হয়ে তার অবসর সময় কাটাচ্ছেন। তার ইহকাল ও পরকালের প্রশান্তি, সুস্থতা ও সাফল্যের জন্য তিনি সকলের কাছে দোয়াপ্রার্থী।
    যোগাযোগ
    https://trainingwithrokhsana.com
    01711-184883, 01833-367994

    ৳ 160৳ 200
  • কবির মুখ

    আল মাহমুদ

    আল মাহমুদ ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পুরো নাম মীর আব্দুস শুকুর আল মাহমুদ। হাইস্কুলে পড়াশোনাকালেই ঢাকা ও কলকাতার বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকাগুলোতে তার কবিতা প্রকাশিত হতে থাকে। বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত কবিতা পত্রিকায় তার কবিতা প্রকাশিত হলে সমসাময়িক কবি মহলে তাকে নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত।
    প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ লোক লোকান্তর (১৯৬৩)। লোক লোকান্তর ও কালের কলস—মাত্র এই দুটি কাব্যগ্রন্থের জন্য ১৯৬৮ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হন। সোনালি কাবিন (১৯৭৩) তাকে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছায়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি গল্প লেখার দিকে মনোযোগী হন। ১৯৭৫ সালে তার প্রথম ছোট গল্পগ্রন্থ পানকৌড়ির রক্ত প্রকাশিত হয়। ১৯৯৩ সালে বের হয় তার প্রথম উপন্যাস কবি ও কোলাহল।
    ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পরে তিনি দৈনিক গণকণ্ঠ পত্রিকায় সহকারী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। সাহিত্যপ্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একুশে পদকসহ বেশ কিছু সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এর মধ্যে ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার, অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য পুরস্কার, ফররুখ স্মৃতি পুরস্কার ও জীবনানন্দ দাশ স্মৃতি পুরস্কার অন্যতম। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি পাঁচ পুত্র ও তিন কন্যার জনক। মরহুমা সৈয়দা নাদিরা বেগম তার স্ত্রী।

    ৳ 560৳ 700
  • গুগলের দিনগুলো

    Ragib-Hasan

    ড. রাগিব হাসান পেশায় ও নেশায় একজন কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও শিক্ষক। মোঃ শামসুল হুদা ও রেবেকা সুলতানার দ্বিতীয় সন্তান রাগিবের জন্ম চট্টগ্রামে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর কম্পিউটার কৌশল বিভাগ হতে সর্বোচ্চ জিপিএ নিয়ে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন এবং চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল পান। বুয়েটে কিছুদিন শিক্ষকতার পর কম্পিউটার নিরাপত্তার উপর মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ ইলিনয় অ্যাট আরবানা শ্যাম্পেইন থেকে। বর্তমানে তিনি ইউনিভার্সিটি অফ অ্যালাবামা অ্যাট বার্মিংহাম-এর কম্পিউটার বিজ্ঞানের পূর্ণ অধ্যাপক, সিক্রেটল্যাব নামের গবেষণাগারের প্রতিষ্ঠাতা এবং সেন্টার ফর সাইবার সিকিউরিটির ডিরেক্টর।

    স্ত্রী ডা. জারিয়া আফরিন চৌধুরী একজন সাইকিয়াট্রিস্ট। ছেলে যায়ান আর মেয়ে রিনীতা যোয়ীকে নিয়ে রাগিব ও জারিয়া বসবাস করেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বার্মিংহামে। রাগিব হাসান বাংলা উইকিপিডিয়ার শুরু থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন। প্রতিষ্ঠা করেছেন শিক্ষক.কম এবং বাংলাব্রেইল। পেয়েছেন মার্কিন জাতীয় বিজ্ঞান ফাউন্ডেশনের ক্যারিয়ার পুরস্কার, Google RISE Award, Information Society Innovation Fund Award, Internet Society Grant, The Best of Blogs and Online Activism (The BoBs) Award এবং তার বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা শিক্ষকের প্রেসিডেন্ট পুরস্কার।

    ৳ 240৳ 300
  • পড়ো পড়ো পড়ো

    মুনির হাসান

    মুনির হাসান ( জন্ম ২৯ জুলাই, ১৯৬৬)
    মুনির হাসানের জন্ম চট্টগ্রামে। হাইস্কুলের পড়ালেখাও সেখানেই— সেন্ট মেরিজ, মুসলিম এডুকেশন সোসাইটি ও মুসলিম হাইস্কুল। পরে চট্টগ্রাম কলেজ হয়ে ঢাকার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে।
    দৈনিক সংবাদের সাপ্তাহিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ফিচার পাতায় লেখালেখির মাধ্যমে সাহচর্য পেয়েছেন বিজ্ঞান লেখক ও বিজ্ঞান কর্মী আ. মু. জহুরুল হক, আবদুল্লাহ আল-মুতী, শরফুদ্দিন কিংবা এ আর খানের। তাদের অনুপ্রেরণায় নিজেকে বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণের কর্মী হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন।
    ১৯৯৫ সাল থেকে ভোরের কাগজে এবং ১৯৯৮ সাল থেকে দৈনিক প্রথম আলোয় বিজ্ঞানবিষয়ক সাপ্তাহিক ফিচার পাতার সম্পাদনা করেছেন।
    ২০০৩ সালে অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদের সঙ্গে থেকে অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর নেতৃত্বে

    ৳ 214৳ 267
  • মুনির হাসানের সাতটি বই

    মুনির হাসানের জন্ম চট্টগ্রামে। পড়ালেখাও সেখানেই— সেন্ট মেরিজ, মুসলিম এডুকেশন সোসাইটি, মুসলিম হাইস্কুল ও চট্টগ্রাম কলেজ। এরপর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে। পাস করে দীর্ঘদিন সেখানেই কর্মজীবন— পরে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি, বিশ্বব্যাংক ইত্যাদিতে কাজ করেছেন।
    দৈনিক সংবাদের সাপ্তাহিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ফিচার পাতায় লেখালেখির মাধ্যমে সাহচর্য পেয়েছেন বিজ্ঞান-লেখক ও বিজ্ঞানকর্মী আ. মু. জহুরুল হক, আবদুল্লাহ আল-মুতী, শরফুদ্দিন এবং এ আর খানের। তাদের অনুপ্রেরণায় নিজেকে বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণের কর্মী হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন। ১৯৯৫-৯৮ সালে ভোরের কাগজ এবং ১৯৯৮ সাল থেকে অদ্যাবধি দৈনিক প্রথম আলোয় বিজ্ঞান ও গণিতবিষয়ক ফিচার পাতার সম্পাদনা

    ৳ 1,638৳ 2,047