• গ্যাপশেডিং

     

    ডাক্তার সারাবন তহুরার সঙ্গে যতটুকু মিথস্ক্রিয়া ঘটেছে সবটাই কন্যাদের চিকিৎসাসূত্রে। এর মধ্যেই জেনেছি জীবনের একটা দীর্ঘসময় পর্যন্ত তিনি লেখক হতে চেয়েছিলেন, ইচ্ছা ছিল চলচ্চিত্র নির্মাণের। তিনি কি নিশ্চিত তার চাওয়া পূরণ হবে না? কমিউনিকেশন আর কানেক্টিভিটি তৈরির যে ইউনিক যোগ্যতা তার মধ্যে আবিষ্কার করেছি তা কি রয়ে যাবে অগ্রন্থিত? শেখ নাবিল হোসেন সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী, ভার্সিটিতে আমার ২ ব্যাচ সিনিয়র ছিলেন। প্রতি সপ্তাহে অন্তত ২০ ঘন্টা ভার্চুয়াল আড্ডা হয় আমাদের। ভার্সিটি জীবনে নিজে ব্যান্ড মিউজিক করতেন, এখনও কনসার্টে তরুণদের সাথে একই আবেগে গলা মেলান। তার বিশুদ্ধ অ্যারোগ্যান্স কি পেতে পারে না আরেকটু ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ? বর্তমানে আমেরিকা অভিবাসী শিহাব উল্লাহ ভার্সিটি জীবনে প্রকাশ করতেন বুয়েটিক নামের সাহিত্য পত্রিকা, নিজে লিখতেন সাহিত্য সমালোচনা। তারুণ্যের সেই সাহিত্য আন্দোলন কি মিস করেন এখনো? এতসব অনিশ্চয়তার মেঘ নিয়ে আমি ছুটে যাই রাইসুল কবিরের নিকট, যিনি ৫৫০ জনের আইটি কোম্পানি পরিচালনা করছেন কেবল এমপ্যাথির ওপর নির্ভর করে। ঘন্টার পর ঘন্টা তার সাথে আলাপ করি, সেসব আলাপকে সংরক্ষণ আর প্রক্রিয়াজাত করে অনুলেখকের সহায়তায় নির্মাণ করি একটি বই যার বিষয়বস্তু এমপ্যাথি। সারাবন তহুরা, শেখ নাবিল হোসেন কিংবা শিহাব উল্লাহ-সহ আমাদের প্রতিবেশেই এমন অসংখ্য মানুষ রয়েছে যারা এক বা একাধিক ইউনিক কোয়ালিটির অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও কেবল লেখালিখিতে প্রায়োরিটি না দেয়ার কারণে তাদের চিন্তাপ্রক্রিয়া হয়ে গেছে গুপ্তধন। কিন্তু জ্ঞান আর প্রজ্ঞা তো কপিরাইটবিহীন; সম্প্রদান কারকে সম্প্রসারণেই তার সমৃদ্ধি। হে পাঠককুল, আমার সম্পর্কে জানাটা জরুরি নয়, তবু যদি আগ্রহ বোধ করেন আপনার পরিমণ্ডলের মানুষদের ইউনিকনেস অনুসন্ধান শেষে একটু পাড়ার মোড়টাতে এসে দাঁড়ান; ডাবের দোকানে ডাব খাই চলুন।
    [email protected]

    ৳ 765৳ 900
  • ঘোরবন্দী গোল্ডফিশ

    উনিশ এবং তেইশ নামের জমজ কন্যাশিশুরা ২০২০ কে তাদের স্মৃতিতে কি বাঁচিয়ে রাখতে সক্ষম? মাত্র আড়াই বছরের দুই মানবশিশু, স্মৃতি তাদের কতটুকুই বা পোক্ত?
    ১৯৭০ এ জন্মানো বর্তমানের ৫০ ছুঁইছুঁই ব্যক্তিটি সমাজের একজন সংবেদনশীল মানুষ; সমকালীন প্রতিটি ঘটনাকে বুঝবার এবং ব্যাখ্যা করবার তার নিজস্ব এক মানস রয়েছে নিশ্চিত। প্রখর সংবেদনশীল এই ব্যক্তিটির কাছেই যদি ১৯৭১ এর গল্প শুনতে চাই, কিছু কি বলা সম্ভব তার পক্ষে আদৌ?
    তো এমন পরিমিত এবং পরিশীলিত মননের একজন মানুষ যেখানে ১৯৭১ এর গল্প বলতে বিফল, উনিশ-তেইশদের দোষ কী? কিন্তু যেহেতু ২০২০ এর পৃথিবীতে ওরা অবস্থান করেছে, স্রেফ বয়সের অজুহাতে ওরা কি দায় এড়াতে পারে?
    এক্সকিউজ মি, জনাব ছ, করোনা বিষয়ে আপনার চিন্তাপ্রণালী একেবারেই মানতে পারলাম না। হতে পারে আপনি একজন প্রসিদ্ধ বিদ্বান, তবু আপনার ভাবনাকে শামুকবদ্ধ বলতে একটুও দ্বিধা করছি না।
    জি জনাব ঠ, আপনার করোনা-চিন্তা শুনে সমাজের প্রিভিলেইজড গোষ্ঠী আপনাকে মূর্খ ভেবে পরিত্যাগ করতেই পারে, তবে যতটুকু যা উপলব্ধি করলাম, আপনার চিন্তা স্বাদ, বর্ণ এবং সুবাসযুক্ত। এই চিন্তার যন্ত নিন; বিদগ্ধদের প্রতিক্রিয়ায় হতাশ না হয়ে চলুন আদা-লং মিশিয়ে কড়া ২ কাপ চা খাই। কই গো উনিশ-তেইশ; বাবা আর আংকেলের জন্য ২ কাপ চা নিয়ে এসে এখানে চুপচাপ বসে থাকো। শোনো কী বলছি!

    ৳ 493৳ 580
  • চিন্তা এক্সপ্রেস

    মেহরাব শাহরিয়ারকে চেনেন? ভার্সিটির সিনিয়র, ব্লগিংসূত্রে দীর্ঘ ১৪ বছরের জানাশোনা, সম্প্রতি একটি তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছেন তিনি, ‘তোমার ব্লগের লেখার সঙ্গে বইয়ের লেখালেখি-ভাষাভঙ্গি কোনোক্রমেই মেলাতে পারি না, এমনও মনে হয় দুজন লেখক সম্পূর্ণ পৃথক মানুষ’; কিংবা সাফির আব্দুল্লাহ সম্পর্কে জানেন? তার অভিমত, ‘মুখোমুখি গল্পসঙ্গী বা গল্পের চরিত্র হিসেবে আপনি যতটা আকর্ষণীয়, লেখক হিসেবে অনেকখানিই নিষ্প্রভ। আপনার লেখার সিরিয়াস ক্রিটিক হওয়া উচিত’; কিংবা কীভাবে ভুলবেন খায়রুল নামের সেই তরুণকে, যে বলেছিল, ‘ব্যক্তি হিসেবে আপনি স্বৈরাচারী, যুক্তিহীন, একগুঁয়ে; কিন্তু লেখায় আশ্চর্যরকম পরিশীলিত এবং নির্মোহ; এতটা বৈপরীত্য একই মানুষ কীভাবে ধারণ করে!’ তবে এদের সবাইকে সোৎসাহে বিস্মৃত হলেও মনে রাখুন হিউম্যানল্যাব বইয়ে বর্ণিত পাপড়িকে যে করেছিল অমোঘ প্রশ্নটি, ‘তোমার নিজেকে কেন সৃজনশীল মনে হয়; তোমার বিশেষত্ব কী, যা আমার বা যেকোনো গড় মানুষের মধ্যে অনুপস্থিত; লিখতে পারাই সৃজনশীলতা? কেন ভাবছ লেখার জন্য সময় বরাদ্দ রাখলে আমি বা সেই ব্যক্তি তোমার চেয়ে সুন্দর চিন্তাসম্পন্ন লেখা লিখতে পারবে না?’
    ভাবাভাবিতে ইস্তফা দিলাম, মন চাইলে himalaypi.com ব্লগে হানা দিতে পারেন, না চাইলে যাইগা; আফিফ হোসেনের ব্যাটিং দেখি বরং
    [email protected]

    ৳ 425৳ 500
  • প্রযত্নে- হন্তা

    একটা গুরুতর প্রশ্ন, উত্তর খুঁজছি: লিটন দাসের ব্যাটিং কেমন লাগে?
    ক্রিকেট ইতিহাসের দৃষ্টিনন্দন ব্যাটসম্যানদের তালিকা করলে ৫০ পেরিয়ে যাবে কয়েক মিনিটেই, কিন্তু কারও ব্যাটিংয়ের সঙ্গেই লিটন দাসের মিল পাচ্ছি না। ক্রিকেটিং সেন্স, মানসিক দৃঢ়তা, সামর্থ্যকে নিয়ামক ধরলে সে গড়পড়তা বাঙালি চরিত্রেরই প্রতিচ্ছবি, কিন্তু যদি শৈল্পিক বিমূর্ততাকে অনুষঙ্গ ধরি, তার মানসিক গঠন-গড়নের সঙ্গে ভ্যান গগ অথবা এস এম সুলতানের দূরবর্তী নৈকট্য আবিষ্কার করি। উদাসী, খামখেয়ালি ও উচ্চাকাঙ্ক্ষাহীন, অথচ প্রখর আত্মতুষ্টিপূর্ণ। ক্রিকেটের মতো কঠোর
    পারফর্মিং স্কিলের খেলায় এ রকম শিল্পীচরিত্রের একজন আপাত-ভঙ্গুর মানুষ কতক্ষণ টিকে থাকতে পারে, সেই পর্যবেক্ষণ আমার বিচিত্র বিনোদন। অব্যাখ্যানীয় কিছু একটা আছে তার ব্যাটিংয়ে, যা খুঁজে পাচ্ছি না এবং পাই না বলেই কখনো বিব্রত হই, কখনোবা ভর করে হীনম্মন্যতা।
    এবং পৃথিবীতে সে-ই একমাত্র শিল্পী, যার প্রতিটি সমীহ জাগানিয়া পারফরম্যান্সকে অর্থমূল্যে উদ্‌যাপন করি। টি-২০ তে ৪১, ওয়ানডেতে ৭৩ এবং টেস্টে ৮৯ রান স্পর্শ করলেই চেনা অথবা অর্ধ-চেনা একজন ব্যক্তিকে বই কেনার লাইসেন্স দিই; নিজের পছন্দের একটি বই সে কিনতে পারবে, ক্রয়মূল্যের থাকে না সুনির্দিষ্ট সীমা।
    লিলিয়ান গার্সিয়াকে চেনেন? রেসলিং দেখে থাকলে তার সম্বন্ধে জানা উচিত। না জানলে গুগল ওস্তাদকে জিগিয়ে নিন।
    শেষ প্রশ্ন, ঠাকুরগাঁওয়ে ১৭ দিন অবকাশ কাটাতে চাই। হোটেল-টোটেলে না, সাতজন পৃথক ব্যক্তির বাসায় আতিথ্য গ্রহণ করব। চেনেন নাকি এ রকম সাতজনকে? দেন না খুঁজে। দুনিয়ায় এত জায়গা থাকতে ঠাকুরগাঁও কেন? সেই গল্পটা লিখব বলেই তো সাত বছর বয়স থেকে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার-বয়সের মানুষের গল্প শুনে চলেছি অবিরাম। এই সব লেখালেখি নর্দমায় যাক, চলুন গল্পে বসি Whatsapp-এ!
    [email protected]

    ৳ 290৳ 340
  • বীক্ষণ প্রান্ত

    আমার প্রতি বড় আপার সাত অভিযোগ
    ১. আরামপ্রিয়, শ্রমবিমুখ ও ইম্যাচিউর
    ২. অধ্যবসায়হীন
    ৩. কিঞ্চিৎ ভণ্ড
    ৪. অপরিমিত নার্সিসিস্ট
    ৫. যথেষ্ট জাহিরপ্রবণ
    ৬. বৈষয়িক বুদ্ধিতে নির্বোধ
    ৭. মনীষী সিনড্রোমে আক্রান্ত

    বড় আপা প্রদত্ত পাঁচ উপাধি
    ১. মানিক সোনা
    ২. জানের শত্রু ট্যাপা
    ৩. আত্মাপাখি ভাই
    ৪. কুকুরের চেয়েও অধম
    ৫. ডাস্টবিনের চেয়েও অপরিষ্কার

    লেখক পরিচিতি অংশে সব কথা বড় আপার কেন? কারণ আমার জীবনের দীর্ঘতম অংশ ব্যয়িত হয়েছে এই মানুষটির ছায়াতলে, বয়স ৪৭ হয়ে গেলেও তার চোখে আজীবনই ১৩ বছরের বালক রয়ে যাব, যদিও দুজনের বয়সের ব্যবধান মাত্র ছয় বছর। একটি ছয় বছরের অবুঝ শিশু যখন ৩৬ বছরের পরিপক্বতায় তার সদ্যোজাত ভাইয়ের দায়িত্ব তুলে নেয় সেই দৃশ্যটা কল্পনা করতে কেমন লাগে?
    [email protected]

    একজন বাইচান্স প্রচ্ছদশিল্পীর আবার কী কথা? চিন্তা ও ঘটনার জটিল ঘন ঘটার বিমূর্তায়ন কেন যে শিয়ার হুইলের ধারালো প্রাপ্তের সাথে লেপ্টে গেল, সে রহস্য রহসাবৃতই থাকা! হবে, গল্পগুচ্ছের ‘ষৎকো’ যখন অনিশ্চয়তার লতানো ভবিতব্যে নিজের গন্তব্য খুঁজে ফেরে, বিমূর্ত থেকে সে। অনিবাৰ্যভাবে জায়গা করে নেয় প্রচ্ছদের কেন্দ্রীয় রিয়েল এস্টেট, মূর্তরূপে।

    মূল ছবিগুলো অন্তর্জলের, কৃতজ্ঞ সেই অজানা শিল্পীদের প্রতি, যারা সব ধরনের ব্যবহারের জন্য এত লোককে উন্মুক্ত করে দিয়েছেন।

    ৳ 255৳ 300
  • মৌনতা ক্লাব

    হিমালয় কোনো বইয়ে লহিয়মা কিংবা হিলমায় হলে কি জাত চলে যাবে?
    জাতের প্রসঙ্গই যেহেতু এল একটা গল্প বলি। ত্রিধা নামের এক কন্যাশিশু আমার লেখা ‘প্রযত্নে-হন্তা’ বইটি হাতে নিয়ে খুব চিন্তায় পড়ে গেল, একেবারে রোদের মতো নীরব। একপর্যায়ে থাকতে না পেরে জেরা শুরু করল- ‘আঙ্কেল, তুমি কি চুরি করেছ?’ হঠাৎ এই প্রশ্নের হেতু কী, বোঝার চেষ্টা করব তার আগেই বইয়ের ২য় ফ্ল্যাপে আঙুল তাক করে বলে, ‘একে ধরিয়ে দিন লিখে পত্রিকায় যেমন ছবিসহ বিজ্ঞাপন দেয়, তোমার ছবিও বইতে সেভাবে ছাপা হয়েছে। ছিঃ আঙ্কেল, তোমাকে ভালো মানুষ ভেবেছিলাম।’
    আত্মপক্ষ সমর্থনের ভঙ্গিতে জানাই, ‘বাবু, আমি তো লেখক; যারা টাকা দিয়ে বই কেনে তারা যাতে রাস্তাঘাটে দেখলে চিনতে পারে সে জন্য ছবি দিয়েছি।’ শুনে সে নতুন আব্দার ধরল, ‘তোমার নাম-ছবি সরিয়ে আমারটা বসালেই কি লোকজন তখন আমাকে চিনবে? খুবই সহজ কাজ, করে দাও না আঙ্কেল।’
    সরলমনে বললেও বাচ্চাটার কথার ওজনে ধরণি ক্রমশ দ্বিধা হতে থাকে; সামান্য ভাষাজ্ঞান আর কিছু বই পড়া-সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা পুঁজি করে যেকোনো মানুষই লিখতে পারে, তারা যদি প্রেসের লোককে হাত করে নাম আর ছবি অপসারণ করে, শত-সহস্র বাক্য আর শব্দের কল্পনাস্বত্বও তো লোপাট! নাম-ছবি কিছুই নেই তবু ছয়-সাতটা বাক্য পড়েই অনুমান করা যাবে সম্ভাব্য লেখকের পরিচিতি, তেমন সিগনেচার টোন তৈরি করতে না পারলে লেখককে মনে হবে বাংলা সিনেমার জাম্বু— এমন পর্বতপ্রমাণ শরীর শুধু নায়কের বেদম প্রহার সয়েই বিনোদন দিয়ে গেল! তাই সভয়ে সকাতরে ছবি একটা দিচ্ছি বটে, কিন্তু কেবলই মনে হচ্ছে এই বুঝি ঘুষি বাগিয়ে আসছে তেড়ে নায়ক জসিম।
    [email protected]

    ৳ 357৳ 420
  • রঙপ্যাথি

    হিমালয় কোনো বইয়ে লহিয়মা কিংবা হিলমায় হলে কি জাত চলে যাবে?
    জাতের প্রসঙ্গই যেহেতু এল একটা গল্প বলি। ত্রিধা নামের এক কন্যাশিশু আমার লেখা ‘প্রযত্নে-হন্তা’ বইটি হাতে নিয়ে খুব চিন্তায় পড়ে গেল, একেবারে রোদের মতো নীরব। একপর্যায়ে থাকতে না পেরে জেরা শুরু করল- ‘আঙ্কেল, তুমি কি চুরি করেছ?’ হঠাৎ এই প্রশ্নের হেতু কী, বোঝার চেষ্টা করব তার আগেই বইয়ের ২য় ফ্ল্যাপে আঙুল তাক করে বলে, ‘একে ধরিয়ে দিন লিখে পত্রিকায় যেমন ছবিসহ বিজ্ঞাপন দেয়, তোমার ছবিও বইতে সেভাবে ছাপা হয়েছে। ছিঃ আঙ্কেল, তোমাকে ভালো মানুষ ভেবেছিলাম।’
    আত্মপক্ষ সমর্থনের ভঙ্গিতে জানাই, ‘বাবু, আমি তো লেখক; যারা টাকা দিয়ে বই কেনে তারা যাতে রাস্তাঘাটে দেখলে চিনতে পারে সে জন্য ছবি দিয়েছি।’ শুনে সে নতুন আব্দার ধরল, ‘তোমার নাম-ছবি সরিয়ে আমারটা বসালেই কি লোকজন তখন আমাকে চিনবে? খুবই সহজ কাজ, করে দাও না আঙ্কেল।’
    সরলমনে বললেও বাচ্চাটার কথার ওজনে ধরণি ক্রমশ দ্বিধা হতে থাকে; সামান্য ভাষাজ্ঞান আর কিছু বই পড়া-সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা পুঁজি করে যেকোনো মানুষই লিখতে পারে, তারা যদি প্রেসের লোককে হাত করে নাম আর ছবি অপসারণ করে, শত-সহস্র বাক্য আর শব্দের কল্পনাস্বত্বও তো লোপাট! নাম-ছবি কিছুই নেই তবু ছয়-সাতটা বাক্য পড়েই অনুমান করা যাবে সম্ভাব্য লেখকের পরিচিতি, তেমন সিগনেচার টোন তৈরি করতে না পারলে লেখককে মনে হবে বাংলা সিনেমার জাম্বু— এমন পর্বতপ্রমাণ শরীর শুধু নায়কের বেদম প্রহার সয়েই বিনোদন দিয়ে গেল! তাই সভয়ে সকাতরে ছবি একটা দিচ্ছি বটে, কিন্তু কেবলই মনে হচ্ছে এই বুঝি ঘুষি বাগিয়ে আসছে তেড়ে নায়ক জসিম।
    [email protected]

    ৳ 340৳ 400
  • হিউম্যান ল্যাব: মৌন মানুষ মানসে

    আমার ৭টি সনাক্তকরণ বৈশিষ্ট্য:
    – যত্রতত্র মৌলিক সংখ্যার অতি ব্যবহার
    – অবসেসন, লিসেনিং, অ্যারোগেন্স, হিউমার, কানেক্টিভিটি, অস্তিত্ব, প্রশ্ন প্রভৃতি শব্দাবলীর পৌনঃপুনিকতা।
    – চা, ক্রিকেট, দাবা, এক্সপেরিমেন্ট, বয়সে বড় নারীদের প্রতি আসক্তির কথা বারবার উল্লেখ।
    – রেফারি বাজায় বাঁশি/গরুর দরে খাসি- জাতীয় ননসেন্স রাইম লেখা।
    – কারণে-অকারণে মানুষের প্রকৃত নাম বদল করে দিয়ে তাকে স্ব-উদ্ভাবিত কোনো নাম বা উপাধি প্রদান এবং সেই নাম বা উপাধি প্রতিষ্ঠা করে ফেলা।
    – কথায় কথায় ১৭০০, ১৯০০, ১৭০০০ কিংবা ২৩০০০ টাকার অংকে বাজি ধরা। জিতলে টাকা নিই না কখনো, কেবলমাত্র বাজিজীবীকে ১১ জন মানুষের সামনে স্যরি বলতে হয়। হারলে অবশ্য টাকা দিয়ে দিই।
    – ছলে-বলে-কৌশলে নিজের ইমেইল এড্রেস যরসধষধু৭৭৭@মসধরষ.পড়স-এর উল্লেখ এবং ইমেইল চেয়ে অনুনয়-বিনয় করা। (আরো বেশ কয়েকটা আছে, সেগুলো আপনার হোমওয়ার্ক/এসাইনমেন্ট হিসেবে দিয়ে রাখলাম। আমার সম্পর্কে জেনে কী হবে মিঞা? বই পড়েন!)

    ৳ 510৳ 600