Skip to Content
তত্ত্বতালাশ ৫ (পঞ্চম সংখ্যা, জুলাই ২০২২)

Price:

150.00 ৳


সিলিকন ভ্যালি থেকে নাপা ভ্যালি
সিলিকন ভ্যালি থেকে নাপা ভ্যালি
165.00 ৳
220.00 ৳ (25% OFF)
ছোটবুবু
ছোটবুবু
112.50 ৳
150.00 ৳ (25% OFF)

তত্ত্বতালাশ ৫ (পঞ্চম সংখ্যা, জুলাই ২০২২)


১ম প্রকাশ
https://adarsha.com.bd/web/image/product.template/528/image_1920?unique=dbda212

150.00 ৳ 150.0 BDT 200.00 ৳

200.00 ৳

Not Available For Sale

(25% OFF)

This combination does not exist.

This content will be shared across all product pages.

Terms and Conditions

Multiple Payment Methods
Credit/Debit card, bKash, Rocket, Nagad, Cash on Delivery is also available

7 Days Happy Return
Change of mind is not applicable

Delivery Charge
Inside Dhaka City Tk. 50 Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh) Tk. 100

Terms and Conditions
Multiple Payment Methods:
Credit/Debit card, bKash, Rocket, Nagad, Cash on Delivery is also available

7 Days Happy Return Change of mind is not applicable

Delivery Charge
Inside Dhaka City Tk. 50
Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh) Tk. 100

বাংলা ভাষায় চিন্তামূলক রচনার পরিসর ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। বিশেষত একাডেমিক পরিসরে বাংলাভাষী অঞ্চলে এমন পণ্ডিতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, যাঁরা মনে করেন, বাংলায় বিদ্যায়তনিক রচনা অসম্ভব না হলেও দুরূহ, আর অনেক ক্ষেত্রেই অপ্রয়োজনীয়। সাধারণভাবে দুনিয়ার হালচাল এবং বাংলাভাষী অঞ্চলগুলোর রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতির সাথে এ বাস্তবতার গভীর সম্পর্ক আছে। তত্ত্বতালাশের একাধিক সম্পাদকীয় ও প্রবন্ধে আমরা এ বিষয়ে আলোকপাত করেছি। এখানে কেবল পরিভাষা সম্পর্কে কয়েকটি মন্তব্য করতে চাই। শাস্ত্রীয় চর্চা মূলত পরিভাষার চর্চা। এ বিষয়ে বাংলাভাষী অঞ্চলে এমনকি বিদ্বজ্জনের মধ্যেও বেশ কতকটা অস্পষ্টতা দেখা যায়। তার মধ্যে সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, ভাষার সাথে পরিভাষাকে গুলিয়ে ফেলা। পরিভাষার যোগ ডিসিপ্লিনের সাথে, ভাষা-বিশেষের সাথে নয়। কিন্তু সাধারণভাবে আমাদের অঞ্চলে বিপরীত চিন্তাই প্রবলতর। ‘বাংলা পরিভাষা’ কথাটার জোর চল সে বাস্তবতার সাক্ষ্য বহন করছে। উনিশ-বিশ শতকে বিশ্রুত বাঙালি পণ্ডিতগণ বাংলা পরিভাষা প্রণয়নের ব্যাপারটিকে যে এতটা গুরুতর করে তুলেছিলেন, তার কারণ অনুধাবন করা অবশ্য খুব দুরূহ নয়। কলোনিয়াল অভিজ্ঞতার কারণে এবং জ্ঞান-উৎপাদনে খুব প্রান্তীয় অবস্থানের কারণে আমাদের এখানে জ্ঞানচর্চার ব্যাপারটা বিশুদ্ধ অনুবাদমূলকতায় পর্যবসিত হয়েছিল। পশ্চিমা জ্ঞানকে বাংলায় পুনরুৎপাদিত করাই ছিল জ্ঞানচর্চার পরম লক্ষ্য। এ চর্চার নগদ ফল আমরা যথেষ্ট পেয়েছি। কিন্তু এর নানা দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির দিকও আমাদের বহন করতে হচ্ছে।

মোহাম্মদ আজম

মোহাম্মদ আজম বাংলা একাডেমির ১৯তম মহাপরিচালক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক। তার জন্ম ২৩ আগস্ট, ১৯৭৫ নোয়াখালীর হাতিয়ায়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে এমএ এবং পিএইচডি। তার পিএইচডি গবেষণার বিষয় 'বাংলা ভাষার উপনিবেশায়ন ও বি-উপনিবেশায়ন। তিনি প্রবন্ধ ও সমালোচনা লিখে থাকেন। তার আগ্রহের বিষয় সাহিত্য, নন্দনতত্ত্ব, ইতিহাস, রাজনীতি ও সংস্কৃতি অধ্যয়ন। অনুবাদ করেছেন গুরুত্বপূর্ণ কিছু তাত্ত্বিক রচনা। প্রকাশিত গ্রন্থ: 'বাংলা ভাষার উপনিবেশায়ন ও রবীন্দ্রনাথ' (২০১৪: তৃতীয় মুদ্রণ ২০২৪); 'নির্বাচিত কবিতা: সৈয়দ আলী আহসান' [সম্পাদনা, ২০১৬); বাংলা ও প্রমিত বাংলা সমাচার [২০১৯; তৃতীয় মুদ্রণ ২০২৪); কবি ও কবিতার সন্ধানে [২০২০; দ্বিতীয় মুদ্রণ ২০২৩); হুমায়ূন আহমেদ: পাঠপদ্ধতি ও তাৎপর্য। ২০২০); বিষয় সিনেমা: তিনটি অনুদিত প্রবন্ধ [অনুবাদ, ২০২০); সাংস্কৃতিক রাজনীতি ও বাংলাদেশ [২০২২], নির্বাচিত কবিতা: কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদনা, ২০২২); মিখাইল বাখতিন: যাপিত জীবন ভাষা ও উপন্যাস। ২০২৩]; চিন্তার মুসিবত: তালাল আসাদের বাতচিত। যৌথ অনুবাদ ও সম্পাদনা, ২০২৩; তৃতীয় মুদ্রণ ২০২৪]। সম্পাদনা করছেন চিন্তামূলক প্রবন্ধের কাগজ তত্ত্বতালাশ।

Title

তত্ত্বতালাশ ৫ (পঞ্চম সংখ্যা, জুলাই ২০২২)

Author

মোহাম্মদ আজম

Publisher

আদর্শ

Edition

১ম প্রকাশ

Number of Pages

208

Country

Bangladesh

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Quarterly
  • বাংলা ভাষায় চিন্তামূলক রচনার পরিসর ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। বিশেষত একাডেমিক পরিসরে বাংলাভাষী অঞ্চলে এমন পণ্ডিতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, যাঁরা মনে করেন, বাংলায় বিদ্যায়তনিক রচনা অসম্ভব না হলেও দুরূহ, আর অনেক ক্ষেত্রেই অপ্রয়োজনীয়। সাধারণভাবে দুনিয়ার হালচাল এবং বাংলাভাষী অঞ্চলগুলোর রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতির সাথে এ বাস্তবতার গভীর সম্পর্ক আছে। তত্ত্বতালাশের একাধিক সম্পাদকীয় ও প্রবন্ধে আমরা এ বিষয়ে আলোকপাত করেছি। এখানে কেবল পরিভাষা সম্পর্কে কয়েকটি মন্তব্য করতে চাই। শাস্ত্রীয় চর্চা মূলত পরিভাষার চর্চা। এ বিষয়ে বাংলাভাষী অঞ্চলে এমনকি বিদ্বজ্জনের মধ্যেও বেশ কতকটা অস্পষ্টতা দেখা যায়। তার মধ্যে সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, ভাষার সাথে পরিভাষাকে গুলিয়ে ফেলা। পরিভাষার যোগ ডিসিপ্লিনের সাথে, ভাষা-বিশেষের সাথে নয়। কিন্তু সাধারণভাবে আমাদের অঞ্চলে বিপরীত চিন্তাই প্রবলতর। ‘বাংলা পরিভাষা’ কথাটার জোর চল সে বাস্তবতার সাক্ষ্য বহন করছে। উনিশ-বিশ শতকে বিশ্রুত বাঙালি পণ্ডিতগণ বাংলা পরিভাষা প্রণয়নের ব্যাপারটিকে যে এতটা গুরুতর করে তুলেছিলেন, তার কারণ অনুধাবন করা অবশ্য খুব দুরূহ নয়। কলোনিয়াল অভিজ্ঞতার কারণে এবং জ্ঞান-উৎপাদনে খুব প্রান্তীয় অবস্থানের কারণে আমাদের এখানে জ্ঞানচর্চার ব্যাপারটা বিশুদ্ধ অনুবাদমূলকতায় পর্যবসিত হয়েছিল। পশ্চিমা জ্ঞানকে বাংলায় পুনরুৎপাদিত করাই ছিল জ্ঞানচর্চার পরম লক্ষ্য। এ চর্চার নগদ ফল আমরা যথেষ্ট পেয়েছি। কিন্তু এর নানা দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির দিকও আমাদের বহন করতে হচ্ছে।