Skip to Content
বিএনপির ৩১ দফা

Price:

270.00 ৳


সাংস্কৃতিক পুঁজি ও নতুন বাংলাদেশ
সাংস্কৃতিক পুঁজি ও নতুন বাংলাদেশ
255.00 ৳
340.00 ৳ (25% OFF)
মারহাবা, জাভাস্ক্রিপ্টে মারো থাবা
মারহাবা, জাভাস্ক্রিপ্টে মারো থাবা
585.00 ৳
780.00 ৳ (25% OFF)

বিএনপির ৩১ দফা


১ম প্রকাশ
https://adarsha.com.bd/web/image/product.template/2134/image_1920?unique=e449750

270.00 ৳ 270.0 BDT 360.00 ৳

360.00 ৳

Not Available For Sale

(25% OFF)

This combination does not exist.

নতুন বই

This content will be shared across all product pages.

Terms and Conditions

Multiple Payment Methods
Credit/Debit card, bKash, Rocket, Nagad, Cash on Delivery is also available

7 Days Happy Return
Change of mind is not applicable

Delivery Charge
Inside Dhaka City Tk. 50 Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh) Tk. 100

Terms and Conditions
Multiple Payment Methods:
Credit/Debit card, bKash, Rocket, Nagad, Cash on Delivery is also available

7 Days Happy Return Change of mind is not applicable

Delivery Charge
Inside Dhaka City Tk. 50
Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh) Tk. 100

বিএনপির ৩১ দফায় আমরা এক উদার রাজনৈতিক দর্শনের প্রতিফলন দেখতে পাই। যেখানে সব পক্ষ, মত ও পথের দল এবং জাতি নিয়ে রাষ্ট্র গঠনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিভাজনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে বৈষম্যহীন অহিংস রাজনীতির কথা বলা আছে এতে। এর প্রথম দফাতেই পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতিকে পরিহার করে সব মত ও পথের সমন্বয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈষম্যহীন সম্প্রীতির রাষ্ট্র গঠন করা হবে। রাষ্ট্রকে নিরাপদ রাখতে সব পক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে একটি সামাজিক চুক্তি সৃষ্টি করার কথা এতে বলা হয়েছে।

একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের জন্য এখানে সম-অধিকার ও সবার অংশগ্রহণের কথাই বলা হয়েছে। এতে পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, সব পক্ষে আলোচনার ভিত্তিতে সামাজিক চুক্তিতে পৌঁছানো হবে, যেখানে সবার অংশগ্রহণ থাকবে। মানে রাষ্ট্রের মালিকানা জনসাধারণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া। চূড়ান্ত বিচারে রাষ্ট্র সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা জনসাধারণের হাতেই থাকবে। রাজনৈতিক দলগুলো সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে কেবল।

ড. মারুফ মল্লিক

মারুফ মল্লিকের পৈতৃক নিবাস ময়মনসিংহে। সরকারি চাকুরে পিতার সূত্রে জন্ম নারায়ণগঞ্জ শহরের ঠিক বাইরে। আধো গ্রাম আধো শহরে শৈশব-কৈশোর কেটেছে শীতলক্ষ্যাসহ জলায়, ডোবায়, জলে ঝাঁপাঝাঁপি করে। ছোটবেলায় ঘুড়ি ওড়ানোর প্রচণ্ড শখ ছিল। মাছ ধরতে নেমে যেতেন যখন-তখন। দুরন্ত এক কৈশোর শেষে স্কুল-কলেজের গণ্ডি পেরিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতক ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে স্নাতকোত্তর। আজকের কাগজের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হিসেবে গণমাধ্যমে কাজের হাতেখড়ি। পরবর্তী সময়ে আজকের কাগজ, মানবজমিন, যায়যায়দিন ও বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেছেন। সাংবাদিকতা করতে করতেই ২০০৯ সালের মধ্যভাগে উচ্চশিক্ষার জন্য সুইডেনে চলে যান। সুইডেনের ডালারনা ইউনিভার্সিটি থেকে ইউরোপীয় রাজনৈতিক সমাজতত্ত্বে এমএসসি সম্পন্ন করেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্কে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন জার্মানির বন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। গবেষণার বিষয় ছিল বৈশ্বিক ক্ষমতার ভারসাম্যে পরিবর্তন। মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের দর-কষাকষিতে বিভিন্ন রাষ্ট্রের অংশগ্রহণ বৈশ্বিক ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তনের উদাহরণ হিসেবে বিশ্লেষণ করেছেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের তত্ত্ব, জলবায়ু পরিবর্তনের রাজনৈতিক কারণ, পরিবেশ ও রাজনীতি, টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক আন্দোলন ও এনজিও, মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিসহ আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি নিয়ে গবেষণা করেন। লেখালিখির অভ্যাস এখনও বহাল আছে। নিয়মিত লিখছেন প্রথম আলো পত্রিকায়।

Title

বিএনপির ৩১ দফা

Author

ড. মারুফ মল্লিক

ISBN

978-984-99815-5-8

Edition

১ম প্রকাশ

Number of Pages

112

Country

Bangladesh

বিএনপির ৩১ দফায় আমরা এক উদার রাজনৈতিক দর্শনের প্রতিফলন দেখতে পাই। যেখানে সব পক্ষ, মত ও পথের দল এবং জাতি নিয়ে রাষ্ট্র গঠনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিভাজনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে বৈষম্যহীন অহিংস রাজনীতির কথা বলা আছে এতে। এর প্রথম দফাতেই পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতিকে পরিহার করে সব মত ও পথের সমন্বয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈষম্যহীন সম্প্রীতির রাষ্ট্র গঠন করা হবে। রাষ্ট্রকে নিরাপদ রাখতে সব পক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে একটি সামাজিক চুক্তি সৃষ্টি করার কথা এতে বলা হয়েছে।

একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের জন্য এখানে সম-অধিকার ও সবার অংশগ্রহণের কথাই বলা হয়েছে। এতে পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, সব পক্ষে আলোচনার ভিত্তিতে সামাজিক চুক্তিতে পৌঁছানো হবে, যেখানে সবার অংশগ্রহণ থাকবে। মানে রাষ্ট্রের মালিকানা জনসাধারণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া। চূড়ান্ত বিচারে রাষ্ট্র সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা জনসাধারণের হাতেই থাকবে। রাজনৈতিক দলগুলো সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে কেবল।