বিএনপির ৩১ দফায় আমরা এক উদার রাজনৈতিক দর্শনের প্রতিফলন দেখতে পাই। যেখানে সব পক্ষ, মত ও পথের দল এবং জাতি নিয়ে রাষ্ট্র গঠনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিভাজনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে বৈষম্যহীন অহিংস রাজনীতির কথা বলা আছে এতে। এর প্রথম দফাতেই পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতিকে পরিহার করে সব মত ও পথের সমন্বয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈষম্যহীন সম্প্রীতির রাষ্ট্র গঠন করা হবে। রাষ্ট্রকে নিরাপদ রাখতে সব পক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে একটি সামাজিক চুক্তি সৃষ্টি করার কথা এতে বলা হয়েছে।
একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের জন্য এখানে সম-অধিকার ও সবার অংশগ্রহণের কথাই বলা হয়েছে। এতে পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, সব পক্ষে আলোচনার ভিত্তিতে সামাজিক চুক্তিতে পৌঁছানো হবে, যেখানে সবার অংশগ্রহণ থাকবে। মানে রাষ্ট্রের মালিকানা জনসাধারণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া। চূড়ান্ত বিচারে রাষ্ট্র সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা জনসাধারণের হাতেই থাকবে। রাজনৈতিক দলগুলো সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে কেবল।