Skip to Content
নেটওয়ার্ক এবং আইএসপি অটোমেশন

Price:

480.00 ৳


ভূবনডাঙায়
ভূবনডাঙায়
112.50 ৳
150.00 ৳ (25% OFF)
গ্লাডিয়েটর, জলদস্যু ও বিশ্বাসের খেলা
গ্লাডিয়েটর, জলদস্যু ও বিশ্বাসের খেলা
300.00 ৳
400.00 ৳ (25% OFF)

নেটওয়ার্ক এবং আইএসপি অটোমেশন


১ম প্রকাশ
https://adarsha.com.bd/web/image/product.template/2052/image_1920?unique=dbda212

480.00 ৳ 480.0 BDT 640.00 ৳

640.00 ৳

Not Available For Sale

(25% OFF)

This combination does not exist.

নতুন বই

This content will be shared across all product pages.

Terms and Conditions

Multiple Payment Methods
Credit/Debit card, bKash, Rocket, Nagad, Cash on Delivery is also available

7 Days Happy Return
Change of mind is not applicable

Delivery Charge
Inside Dhaka City Tk. 50 Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh) Tk. 100

Terms and Conditions
Multiple Payment Methods:
Credit/Debit card, bKash, Rocket, Nagad, Cash on Delivery is also available

7 Days Happy Return Change of mind is not applicable

Delivery Charge
Inside Dhaka City Tk. 50
Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh) Tk. 100

আমাদের জীবনে ইন্টারনেট এখন অক্সিজেনের মতো। শুধু মোবাইলে চ্যাট বা সোশ্যাল মিডিয়া না, এখন কেনাকাটা, অনলাইন ক্লাস, সরকারি সার্ভিস, ব্যাংকিং থেকে শুরু করে ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট— সবই নির্ভর করে ইন্টারনেটের উপর। দেশের হাজার কোটি টাকার ব্যবসা চলে এই ইন্টারনেটের ভরসায়, বিলিয়ন টাকা ট্রান্সফার হয় এর উপর দিয়ে। এর অর্থ হচ্ছে, ইন্টারনেট একটা বিশাল ইকোসিস্টেম। এত বড় সিস্টেম শুধুমাত্র মানুষ দিয়ে চালানো নিতান্তই অসম্ভব।

বিশ্বব্যাপী এই বিশাল ‘লাইভ’ নেটওয়ার্ককে প্রতি সেকেন্ডে চালু রাখার জন্য এত নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার পাওয়া দুষ্কর। এর পাশাপাশি এই পেশায় ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স একটা বড় চ্যালেঞ্জ। গুগল, ফেসবুক, নেটফ্লিক্স, ডাটা সেন্টার, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের প্রতি মুহূর্তের সার্ভিস চালু রাখতে নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ারদের থাকতে হয় প্রচণ্ড চাপে।

উপায় কী? কোম্পানিগুলো এখন দক্ষতা বাড়াতে নেটওয়ার্ক অটোমেশনের দিকে ঝুঁকছে। কিন্তু এর মধ্যে ইঞ্জিনিয়ারদের জীবনটা কেমন যাচ্ছে, সেদিকে কেউ তাকাচ্ছে না। তাই এই বই লেখা হয়েছে দুটো কাজকে মাথায় রেখে— একদিকে নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ করা, অন্যদিকে নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ারদের জীবনকে সহজ করা।

রকিবুল হাসান

স্কুলে থাকতেই রেডিও কমিউনিকেশন নিয়ে ভালোবাসায় পড়ে যান রকিবুল হাসান। ১৯৭০ সালে ঢাকায় জন্ম নেওয়া লেখকের ছোটবেলার ঢাকার স্কাইলাইন ফাঁকা ছিল অনেকটাই। ফলে বাসার ছাদই পাল্টে গিয়েছিল ‘রেডিও অ্যানটেনা’ হিসেবে। দূরের দুর্বল সিগন্যালকে ‘অ্যামপ্লিফাই’ করার ধারণা নিতে নিতেই চলে যেতে হয় ক্যাডেট কলেজে। ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশনের প্রতি ‘অসম্ভব’ দুর্বলতা তাকে নিয়ে আসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সিগন্যাল কোরে। মার্কিন সেনাবাহিনীর সিগন্যাল স্কুল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত সরকারি ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে সত্তরের বেশি দেশি-বিদেশি ট্রেনিং জুটেছে তার অভিজ্ঞতার ঝুলিতে। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন এবং ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের প্রায় ১৩ বছরের অভিজ্ঞতা দিয়েছে অন্যভাবে চিন্তা করতে। সরাসরি কাজ করেছেন বিলিয়ন ডেটা রেকর্ডকে সরকারি প্রজ্ঞায় যুক্ত করতে। ২০০৯ সালে জাতীয় স্কেলে প্রতিটি টেলিকম অপারেটরের বিলিয়ন মিনিটের ‘ইন্টারকানেকশন ভয়েস কল কস্ট মডেলিং’ তৈরিতে সহযোগিতা করতে গিয়ে তার ধারণা পাল্টায় ডেটার ব্যাপারে। সরকারি কাজের ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে বড় বড় ডেটা ইন্টারমেডিয়ারি (গুগল, ফেসবুক ইত্যাদি) এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার (আইটিইউ, বিশ্বব্যাংকসহ অন্যান্য এজেন্সি) সঙ্গে যোগসূত্র হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে সরকারি ‘ন্যাশনাল আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স স্ট্র্যাটেজি ডেভেলপমেন্ট’ ওয়ার্কিং গ্রুপকে সহযোগিতা করছেন। পাশাপাশি ‘বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস’-এ ‘পিএইচডি রিসার্চার’ হিসেবে কাজ করছেন নীতিনির্ধারকদের জন্য সরকারি ডেটা ব্যবহারের দক্ষ ফ্রেমওয়ার্ক নিয়ে। বর্তমানে তিনি লিংক৩-তে ‘চিফ টেকনোলজি অফিসার’ হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

Title

নেটওয়ার্ক এবং আইএসপি অটোমেশন

Author

রকিবুল হাসান

Publisher

আদর্শ

Edition

১ম প্রকাশ

Number of Pages

264

Country

Bangladesh

Language

Bengali / বাংলা

আমাদের জীবনে ইন্টারনেট এখন অক্সিজেনের মতো। শুধু মোবাইলে চ্যাট বা সোশ্যাল মিডিয়া না, এখন কেনাকাটা, অনলাইন ক্লাস, সরকারি সার্ভিস, ব্যাংকিং থেকে শুরু করে ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট— সবই নির্ভর করে ইন্টারনেটের উপর। দেশের হাজার কোটি টাকার ব্যবসা চলে এই ইন্টারনেটের ভরসায়, বিলিয়ন টাকা ট্রান্সফার হয় এর উপর দিয়ে। এর অর্থ হচ্ছে, ইন্টারনেট একটা বিশাল ইকোসিস্টেম। এত বড় সিস্টেম শুধুমাত্র মানুষ দিয়ে চালানো নিতান্তই অসম্ভব।

বিশ্বব্যাপী এই বিশাল ‘লাইভ’ নেটওয়ার্ককে প্রতি সেকেন্ডে চালু রাখার জন্য এত নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার পাওয়া দুষ্কর। এর পাশাপাশি এই পেশায় ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স একটা বড় চ্যালেঞ্জ। গুগল, ফেসবুক, নেটফ্লিক্স, ডাটা সেন্টার, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের প্রতি মুহূর্তের সার্ভিস চালু রাখতে নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ারদের থাকতে হয় প্রচণ্ড চাপে।

উপায় কী? কোম্পানিগুলো এখন দক্ষতা বাড়াতে নেটওয়ার্ক অটোমেশনের দিকে ঝুঁকছে। কিন্তু এর মধ্যে ইঞ্জিনিয়ারদের জীবনটা কেমন যাচ্ছে, সেদিকে কেউ তাকাচ্ছে না। তাই এই বই লেখা হয়েছে দুটো কাজকে মাথায় রেখে— একদিকে নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ করা, অন্যদিকে নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ারদের জীবনকে সহজ করা।