Showing 301–320 of 326 results

  • সাফল্যের রুট কজ এনালিসিস

    মুবির চৌধুরী একজন উদ্যোক্তা, কর্পোরেট কনসালটেন্ট, ও সফট স্কিলস ট্রেনার। জন্ম ১৯৮১ সালে, আদি নিবাস সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ থানার ঢাকা দক্ষিণ ইউনিয়নের কানিশাইল গ্রামে। বর্তমানে ঢাকায় স্থায়ীভাবে বসবাসরত।
    তিনি ন্যাশনাল ব্যাংক পাবলিক স্কুল থেকে ১৯৯৬ সালে এসএসসি, নটরডেম কলেজ থেকে ১৯৯৮ সালে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে বিবিএ ও এক্সিকিউটিভ এমবিএ পাস করেন যথাক্রমে ২০০৩ ও ২০০৯ সালে।
    দীর্ঘ ১৮ বছরের পেশাজীবী জীবনের প্রথম ১০+ বছর গড়েছেন কর্পোরেট ক্যারিয়ার। ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোতে খণ্ডকালীন কাজ করে কর্মজীবন শুরু করে পরবর্তীতে গালফ অয়েল বাংলাদেশ এবং ব্যাংক এশিয়াতে কিছুদিন কাজ কর থিতু হোন গ্রামীণফোনে; সেখানেই কাজ করেন সাড়ে ৯ বছর। চাকরি ছেড়ে ২০১৪ সালে পরিণত হন একজন পুরোদস্তুর উদ্যোক্তায়। ২০১২ সাল থেকে তিনি এই পর্যন্ত পাঁচটি ব্যবসা শুরু করেছেন এবং তাঁর তৈরি করা স্টার্টআপ পেয়েছে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননা।
    তিনি ‘সক্রিয় টেকনোলজিস’ নামক একটি আইটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ‘বিয়ন্ড রেশন্যাল’ নামক একটি ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও লিড কনসালট্যান্ট, ফ্রিল্যান্স সফট স্কিলস ট্রেনার, একাধিক স্টার্টআপে বিনিয়োগকারী ও পরামর্শদাতা এবং বেসিস (BASIS: Bangladesh Association for Software & Information Services)-এর স্টার্টআপ-সংক্রান্ত স্ট্যান্ডিং কমিটির কো-চেয়ারপার্সন।
    ব্যক্তিগত জীবনের তিনি তার বাবা-মায়ের পাঁচ সন্তানের মধ্যে চতুর্থ, বিবাহিত এবং এক সন্তানের জনক।

    ৳ 290৳ 340
  • সি প্রোগ্রামিং

    জাকির হোসাইনের জন্ম লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জে। কম্পিউটার সাইন্স এবং ইঞ্জিনিয়ারিং এর উপর পড়ালেখা করেছেন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে। বিভিন্ন পত্রিকায় এবং ব্লগে প্রোগ্রামিং নিয়ে লেখা লেখি শুরু করেছেন ২০১০ সাল থেকে। তার ব্লগ www.jakir.meতে প্রোগ্রামিং ও প্রযুক্তি নিয়ে লিখছেন নিয়মিত।

    ৳ 255৳ 300
  • সিলিকন ভ্যালি থেকে নাপা ভ্যালি

     

    মইনুল রাজু
    জন্ম: ৫ নভেম্বর ১৯৮১, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বামনীতে।
    বামনী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক শেষ করে চলে আসেন ঢাকায়। তারপর, নটর ডেম কলেজ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগে।
    অনার্স-মাস্টার্স শেষে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য-প্রযুক্তি ইন্সটিটিউট, আইআইটি’তে। কম্পিউটার বিজ্ঞানেই পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ ইলিনয় অ্যাট শিকাগো থেকে।
    পিএইচডি’র সুবাদে মইনুল রাজুর সুযোগ হয়েছিল আমেরিকার এ-প্রান্ত থেকে ও-প্রান্ত ঘুরে বেড়ানোর। প্রতিটি জনপদ, প্রতিটি জায়গা দেখার সাথে সাথে সেসবের সাথে সংশ্লিষ্ট ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং নিজস্ব মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা তুলে ধরাই লেখকের লেখার বৈশিষ্ট্য।
    বর্তমানে স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ বসবাস করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে।
    [email protected]
    facebook.com/imbmmainul

    ৳ 187৳ 220
  • সুখের অসুখ

    মো. আব্দুল হামিদ: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক। পিএইচডি ও এমএসসি করেছেন হসপিটালিটি ও ট্যুরিজম বিষয়ে। এমবিএ ও বিবিএ পড়েছেন মার্কেটিং শেখার লক্ষ্যে। প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখার পাশাপাশি জীবনঘনিষ্ঠ নানা বিষয়ে নিয়মিত জানতে ও বুঝতে চেষ্টা করছেন। আমাদের দেশে প্যাশন ও প্রফেশন একই বিন্দুতে মিলিত হওয়া ব্যক্তির সংখ্যা অতি নগণ্য। সেদিক থেকে নিঃসন্দেহে তিনি ভাগ্যবান। আজীবন নতুন নতুন বিষয় শেখা এবং সেগুলো অন্যদের সাথে শেয়ার করার সুযোগের সদ্ব্যবহারে রয়েছেন সদা সচেষ্ট। পড়া ও লেখা তার পেশা ও নেশা। প্রকাশিত গ্রন্থ শিক্ষা স্বপ্ন ক্যারিয়ার, মার্কেটিংয়ের সহজপাঠ, বিশ্ব-প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পর্যটন, ফেইলিওর ইন সেলস, পোস্ট ক্রাইসিস বিজনেস, কাউ টু ক্রিপ্টোকারেন্সি (টাকার ইতিহাস), মস্তিষ্কের মালিকানা, একটা কিছু করো প্লিজ…, ও ভাইরালের ভাইরাস বইগুলো ইতোমধ্যে তাকে স্বতন্ত্রধারার লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

    ৳ 425৳ 500
  • সুস্থতায় ব্যায়াম

    পিতা: মো. সালেক আহমেদ
    মাতা: জাহানারা বেগম
    জন্ম: রাঙ্গামাটির মাইনীমুখ। বাবার সরকারি কর্মসূত্রে শৈশবের কিছু সময় কেটেছে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় এবং বেশির ভাগ সময় চট্টগ্রাম শহরে। চট্টগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি প্রথম বিভাগে পাস করেন।
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদ থেকে ফিজিওথেরাপি বিষয়ে গ্রাজুয়েশন ও ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরলি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট (ইসিডি) মাস্টার্স করে ২০১৩ সালে গড়ে তুলেছেন ফিজিক্যাল থেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার (পিটিআরসি) নামে একটি অত্যাধুনিক ফিজিওথেরাপি সেন্টার। এই প্রতিষ্ঠান প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য ফিজিওথেরাপি, স্পিচ থেরাপি, চাইল্ড ডেভেলপমেন্টাল থেরাপিসহ জনগণকে সচেতন করতে নানা সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। উদ্যোক্তা হিসেবে বেশ কিছু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন। ২০১৮ সালে ইন্টারন্যাশনাল ভিজিটর লিডারশিপ প্রোগ্রামে আমেরিকান ফেলোশিপ পান।
    বর্তমানে লেখালেখির মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ফিজিওথেরাপি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নানাবিধ সমস্যার সমাধান ও সচেতনতা সৃষ্টি করে চলছেন। দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নিয়মিত সচেতনতামূলক কাজ করে চলছেন।
    https://www.facebook.com/umma.rumki
    [email protected]
    PTRC Rehab and Physiotherapy Center
    website: www.ptrcbd.com

    ৳ 170৳ 200
  • সৃষ্টির উল্লাসে রোবটিকস ১

    মিশাল ইসলাম রোবটিক্স ও আইওটি নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসেন। তিনি আহসানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সাইন্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে বিএসসি শ্রেণিতে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে মাস্টার্স শ্রেণিতে অধ্যায়ন করেন। কর্মজীবনে তিনি কম্পিউটার সার্ভিসেস লিমিটেডে আইওটি ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে যুক্ত ছিলেন। এরপর বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কে প্রোগ্রাম কোঅরডিনেটর হিসাবে যুক্ত হন। পরবর্তীতে তিনি ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশে আইসিটি কোঅরডিনেটর হিসাবে যুক্ত হন এবং বর্তমানে সেখানেই কর্মরত আছেন। এর পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াডের কোঅরডিনেটর হিসাবে কাজ করছেন ও ইন্টারনেট অব থিংস কাউন্সিলের কাউন্সিল মেম্বার হিসাবে যুক্ত আছেন। মিশাল বই পড়তে ও ঘুরাঘুরি করতে পছন্দ করেন। পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের রোবটিক্সে আরও আগ্রহী করতে প্রশিক্ষক হিসাবে কাজ করেন মাকসুদুল আলম বিজ্ঞানাগারে।

    ৳ 357৳ 420
  • সৃষ্টির উল্লাসে রোবটিকস ২

    মিশাল ইসলাম রোবটিক্স ও আইওটি নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসেন। তিনি আহসানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সাইন্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে বিএসসি শ্রেণিতে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে মাস্টার্স শ্রেণিতে অধ্যায়ন করেন। কর্মজীবনে তিনি কম্পিউটার সার্ভিসেস লিমিটেডে আইওটি ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে যুক্ত ছিলেন। এরপর বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কে প্রোগ্রাম কোঅরডিনেটর হিসাবে যুক্ত হন। পরবর্তীতে তিনি ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশে আইসিটি কোঅরডিনেটর হিসাবে যুক্ত হন এবং বর্তমানে সেখানেই কর্মরত আছেন। এর পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াডের কোঅরডিনেটর হিসাবে কাজ করছেন ও ইন্টারনেট অব থিংস কাউন্সিলের কাউন্সিল মেম্বার হিসাবে যুক্ত আছেন। মিশাল বই পড়তে ও ঘুরাঘুরি করতে পছন্দ করেন। পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের রোবটিক্সে আরও আগ্রহী করতে প্রশিক্ষক হিসাবে কাজ করেন মাকসুদুল আলম বিজ্ঞানাগারে।

    ৳ 290৳ 340
  • সৃষ্টির উল্লাসে রোবটিকস ৩

    মিশাল ইসলাম রোবটিকস ও আইওটি নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসেন। তিনি কম্পিউটার সার্ভিসেস লিমিটেডে আইওটি ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে যুক্ত ছিলেন। এরপর বিভিন্ন সময়ে মাকসুদুল আলম বিজ্ঞানাগার, বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন প্রযুক্তি ও স্টেম এডুকেশন নিয়ে। এর পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াডের কোঅরডিনেটর হিসেবে কাজ করছেন এবং আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড দলের প্রশিক্ষক হিসেবে আছেন। এছাড়াও তিনি ইন্টারনেট অব থিংস কাউন্সিলের কাউন্সিল মেম্বার হিসেবে যুক্ত আছেন। মিশাল বই পড়তে ও ঘোরাঘুরি করতে পছন্দ করেন। শিশু-কিশোরদের মধ্যে বিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করার জন্য তিনি কাজ করেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতিতে। বিজ্ঞান গবেষণায় আগ্রহী তরুণ প্রজন্ম তৈরির জন্য তিনি শিশু-কিশোর বিজ্ঞান কংগ্রেসে মেন্টর হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের রোবটিকসে আরও আগ্রহী করতে বই লেখেন ও হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেন রোবটিকস নিয়ে।

    ৳ 374৳ 440
  • সৃষ্টির উল্লাসে রোবটিকস ৪

    মিশাল ইসলাম রোবটিকস ও আইওটি নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসেন। তিনি কম্পিউটার সার্ভিসেস লিমিটেডে আইওটি ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে যুক্ত ছিলেন। এরপর বিভিন্ন সময়ে মাকসুদুল আলম বিজ্ঞানাগার, বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন প্রযুক্তি ও স্টেম এডুকেশন নিয়ে। এর পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াডের কোঅরডিনেটর হিসেবে কাজ করছেন এবং আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড দলের প্রশিক্ষক হিসেবে আছেন। এছাড়াও তিনি ইন্টারনেট অব থিংস কাউন্সিলের কাউন্সিল মেম্বার হিসেবে যুক্ত আছেন। মিশাল বই পড়তে ও ঘোরাঘুরি করতে পছন্দ করেন। শিশু-কিশোরদের মধ্যে বিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করার জন্য তিনি কাজ করেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতিতে। বিজ্ঞান গবেষণায় আগ্রহী তরুণ প্রজন্ম তৈরির জন্য তিনি শিশু-কিশোর বিজ্ঞান কংগ্রেসে মেন্টর হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের রোবটিকসে আরও আগ্রহী করতে বই লেখেন ও হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেন রোবটিকস নিয়ে।

    ৳ 408৳ 480
  • সেলসম্যানের ডায়েরি

     

    কাজী এম মুর্শেদ বা কাজী মাহবুব মুর্শেদ বাংলাদেশের আইটি মার্কেটে গত তিরিশ বছর বিচরণ করে আসছেন। বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি যেমন আইবিএম, মাইক্রোসফট, ওরাকল, পিডব্লিউসি ইত্যাদিতে সরাসরি কাজ করেছেন, অন্যান্য বড় কোম্পানির সাথে যোগাযোগ রেখে ব্যবসা করে গেছেন। এখনো ক্লান্ত হননি।
    পুরান ঢাকায় জন্ম, নতুন ঢাকায় বড় হওয়া, ঢাকা ছেড়ে কোথাও বেশিদিন থাকতে পারেন না। এই শহরের জন্য আলাদা একটা টান অনুভব করেন।
    স্বাধীনতার পর প্রথম আইন কর্মকর্তা পিতার সন্তান, মাতা অধ্যাপিকা, বড়ভাই কানাডাপ্রবাসী, মেজোভাই সাবেক সেনাকর্মকর্তা, বর্তমানে অধ্যাপক।
    লেখক ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের এক্স ক্যাডেট, পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ করে আইটি ব্যবসায় সেলসম্যান হিসাবে ব্যবসায়িক জীবন শুরু করেন।
    লেখক দুই সন্তানের পিতা, বর্তমানে অন্যতম বৃহৎ ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি গ্লোবালব্রান্ডে এডভাইজার হিসাবে কর্মরত আছেন।

    ৳ 187৳ 220
  • সোনালি কাবিন

    আল মাহমুদ

    আল মাহমুদ ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পুরো নাম মীর আব্দুস শুকুর আল মাহমুদ। হাইস্কুলে পড়াশোনাকালেই ঢাকা ও কলকাতার বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকাগুলোতে তার ‘কবিতা’ প্রকাশিত হতে থাকে। বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত কবিতা পত্রিকায় তার কবিতা প্রকাশিত হলে সমসাময়িক কবি মহলে তাকে নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত।
    প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ লোক লোকান্তর (১৯৬৩)। লোক লোকান্তর ও কালের কলস— মাত্র এই দুটি কাব্যগ্রন্থের জন্য ১৯৬৮ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হন। সোনালি কাবিন (১৯৭৩) তাকে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছায়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি গল্প লেখার দিকে মনোযোগী হন। ১৯৭৫ সালে তার প্রথম ছোটগল্প গ্রন্থ পানকৌড়ির রক্ত প্রকাশিত হয়। ১৯৯৩ সালে বের হয় তার প্রথম উপন্যাস কবি ও কোলাহল।
    ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পরে তিনি দৈনিক গণকণ্ঠ পত্রিকায় সহকারী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। সাহিত্যপ্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একুশে পদকসহ বেশ কিছু সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এর মধ্যে ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার, অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য পুরস্কার, ফররুখ স্মৃতি পুরস্কার ও জীবনানন্দ দাশ স্মৃতি পুরস্কার অন্যতম। আল মাহমুদ ২০১৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ৮১ বছর বয়সে মারা যান।

    ৳ 170৳ 200
  • স্কিলস টু গ্রো ইন করপোরেট

    জি এম কামরুল হাসান বিগত ২৬ বছর ধরে বাংলাদেশের উদীয়মান মার্কেটে এফএমসিজি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছেন, যার মধ্যে রয়েছে বহুজাতিক এবং জাতীয় সংস্থার বিভিন্ন কর্পোরেশন। তিনি ১৯৯৫ সালে নেসলে বাংলাদেশে মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। প্রায় ১২ বছর নেসলেতে কাজ করার পর তিনি আর যে যে কোম্পানিতে কাজ করেন তার মধ্যে রয়েছে রহিম আফরোজ, নিউজিল্যান্ড ডেইরি, ফন্টেরা–নিউজিল্যান্ড, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ এবং আব্দুল মোনেম লিমিটেড। বর্তমানে তিনি সিইও পদে সবচেয়ে বড় B2B ই-কমার্স কোম্পানিগুলোর একটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
    তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি থেকে গ্র্যাজুয়েশন, নিউট্রিশন থেকে মাস্টার্স এবং ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন।
    ১৯৭০ সালে নেত্রকোনার এক মধ্যবিত্ত পরিবারে তাঁর জন্ম এবং সেখানেই তাঁর শৈশব অতিবাহিত হয়।
    তিনি চ্যানেল আই-এর ‘দ্য বেস্ট কর্পোরেট পার্সোনালিটি এওয়ার্ড ২০২০’ এবং সাউথ এশিয়ান পার্টনারশিপ সামিট থেকে সাউথ এশিয়ান বেস্ট সিইও (এফএমসিজি) ক্যাটাগরিতে দ্য বেস্ট এক্সিল্যান্স এওয়ার্ড—২০১৭ গ্রহণ করে সম্মানিত হয়েছেন। এছাড়াও ‘ওয়ার্ল্ড গ্রেটেস্ট সিইও’ এওয়ার্ড ২০১৮-১৯ অর্জন করেছেন।

    ৳ 238৳ 280
  • স্কুল মানে আড্ডাখানা

    অনুপম দেবাশীষ রায় মুক্তিফোরামের একজন সম্পাদক ও সংগঠক।
    তিনি বর্তমানে বস্টন ইউনিভার্সিটিতে রাজনীতিবিদ্যায় পিএইচডি করছেন।
    অনুপম ২০১৯ সালে উচ্চতর সম্মানের সঙ্গে হাওয়ার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতি, রাজনীতি, ইতিহাস ও দর্শনের সমন্বয়ে গঠিত ইন্টারডিসিপ্লিনারি স্টাডিজে ব্যাচেলর ডিগ্রি লাভ করেন। এ সময় তিনি কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক, রওনক জাহান এবং ফিলিপ ওল্ডেনবার্গের অধীনে গবেষণা করার সুযোগ পান। তার লেখা গবেষণাপত্রগুলো বিডিআরডব্লিউপিএস, পিয়ার-রিভিউড জার্নাল ‘সাউথ এশিয়া রিসার্চ’ ও ‘এনওয়াইই আন্ডারগ্র্যাড ল রিভিউ’য়ে প্রকাশিত হয়েছে। শ্রেষ্ঠ গবেষণার জন্য তাকে একাধিকবার পুরস্কৃত করেছে তার বিশ্ববিদ্যালয়।
    অনুপমের জন্ম ১৯৯৭ সালের ১৪ মে, সৈয়দপুর জেলায়। তার পিতা-মাতার আদি নিবাস বাগেরহাট-খুলনা এলাকায়।
    প্রকাশিত গ্রন্থ
    সন্তান, ২০১৪
    অপ্রাপ্তবয়স্কতা, ২০১৬
    কালকের আন্দোলন, আজকের আন্দোলন, ২০২০

    ৳ 136৳ 160
  • স্টেম কোষের আদ্যোপান্ত

    অপূর্ব পালের জন্ম রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার মৈশালা গ্রামে। তিনি পাংশা জর্জ (পাইলট) উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং পাংশা সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হয়ে বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাটেরিয়ালস্ সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে চতুর্থ বর্ষে অধ্যয়নরত রয়েছেন। তার বিভাগের সকল শিক্ষার্থীকে অ্যাকাডেমিক পড়ালেখা, গবেষণা ও বিদেশে উচ্চশিক্ষার ব্যাপারে সহযোগিতার উদ্দেশ্যে ২০১৯ সালে তিনি materialsscience.net ওয়েবসাইটটি তৈরি করেন। অপূর্ব পাল স্বপ্ন দেখেন নিজেকে একজন গবেষক হিসেবে তৈরি করার। তার পছন্দের গবেষণাক্ষেত্র বায়োম্যাটেরিয়ালস্ ও টিস্যু ইঞ্জিনিয়ারিং। তিনি ভালোবাসেন বাঁশি বাজাতে, ক্রিকেট খেলতে ও বই পড়তে।
    facebook.com/apurbopaul.mse
    apurbomse.wixsite.com/apurbokumarpaul

    ৳ 187৳ 220
  • স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট

    তানভীর শাহরিয়ার রিমন, দেশের অন্যতম শীর্ষ রিয়েল এস্টেট ব্যক্তিত্ব এবং করপোরেট আইকন। বর্তমানে তিনি দেশের অন্যতম শীর্ষ গ্রুপ র‍্যানকনের একটি প্রতিষ্ঠানের সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি মাত্র ২২ বছর বয়সে ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করে ২৬ বছর বয়সে দেশের অন্যতম বৃহত্তম একটি গ্রুপে চিফ অপারেটিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেয়ে করপোরেট অঙ্গনে ব্যতিক্রমী এক তরুণ লিডার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। পেশাগত কাজের পাশাপাশি তিনি নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং একজন সোশ্যাল লিডার হিসেবেও সমধিক পরিচিত। তানভীর শাহরিয়ার রিমন একজন জনপ্রিয় পাবলিক স্পিকারও বটে। তিনি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নলেজ ইনিশিয়েটিভগুলোতে কি-নোট স্পিকার হিসেবে নিয়মিত কথা বলছেন। এত কিছুর পাশাপাশি তিনি একাধারে একজন লেখক ও ব্লগার। ফেসবুকে এবং তার ব্লগসাইটের পাশাপাশি দেশের জাতীয় দৈনিক এবং অনলাইন সাইটগুলোতে নিয়মিত তার লেখা প্রকাশিত হচ্ছে। www.tanvirshahriarrimon.com প্রকাশিত গ্রন্থ লিডারশিপ ইনটেলিজেন্স (আত্মোন্নয়নমূলক, ২০২১) আমি একজন সেলসম্যান (আত্মোন্নয়নমূলক, ২০২০) ক্ষ্যাপা বাউল (কবিতা, ২০১৫) পাগলা ঘণ্টি (গল্প সংকলন, ২০১৪)

    ৳ 255৳ 300
  • স্মৃতি এবং সমাধি

    অনুপম দেবাশীষ রায় মুক্তিফোরামের একজন সম্পাদক ও সংগঠক।
    অনুপম ২০১৯ সালে উচ্চতর সম্মানের সঙ্গে হাওয়ার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতি, রাজনীতি, ইতিহাস ও দর্শনের সমন্বয়ে গঠিত ইন্টারডিসিপ্লিনারি স্টাডিজে ব্যাচেলর ডিগ্রি লাভ করেন। এ সময় তিনি কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক, রওনক জাহান এবং ফিলিপ ওল্ডেনবার্গের অধীনে গবেষণা করার সুযোগ পান। তার লেখা গবেষণাপত্রগুলো বিডিআরডব্লিউপিএস, পিয়ার-রিভিউড জার্নাল ‘সাউথ এশিয়া রিসার্চ’ ও ‘এনওয়াইইউ আন্ডারগ্র্যাড ল রিভিউ’য়ে প্রকাশিত হয়েছে। শ্রেষ্ঠ গবেষণার জন্য তাকে একাধিকবার পুরস্কৃত করেছে তার বিশ্ববিদ্যালয়।
    অনুপমের জন্ম ১৯৯৮ সালের ১৫ মে। তার পিতা-মাতার আদি নিবাস বাগেরহাট-খুলনা এলাকায়।
    amianupam.com
    muktiforum.org
    প্রকাশিত গ্রন্থ
    সন্তান, ২০১৪
    অপ্রাপ্তবয়স্কতা, ২০১৬
    কালকের আন্দোলন, আজকের আন্দোলন, ২০২০
    Not All Springs End Winter, ২০২০
    স্কুল মানে আড্ডাখানা, ২০২১

    ৳ 226৳ 267
  • হাঁটতে থাকা মানুষের গান

    জাকির তালুকদারের জন্ম নাটোরে। ১৯৬৫ সালের ২০ জানুয়ারি।
    গল্প-উপন্যাস-প্রবন্ধ-মুক্তগদ্যের লেখক।
    কথাসাহিত্যে অবদানের জন্য পেয়েছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার-২০১৪।

    ৳ 289৳ 340
  • হাঁটি হাঁটি পা পা

    ফিরোজা বহ্নির জন্ম ১৯৮৭ সালের ৫ জুন, ঢাকায়। বাবা ওমর ফারুক শাহজাহান, মা শেলিনা আর্জুমান্দ বানু। বর্তমানে সহমানুষ চমক হাসান ও কন্যা বিনীতা বর্ণমালার সঙ্গে থাকেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টা ক্লারিটা শহরে।

    বহ্নি ভিকারুন্নিসা নূন স্কুল ও কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করার পর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে স্থাপত্যে স্নাতক অর্জন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ক্যারোলাইনা থেকে সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বাংলাদেশে মৃন্ময় আর্কিটেকচারাল ফার্মে জুনিয়র আর্কিটেক্ট এবং স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে স্থাপত্য অনুষদের প্রভাষক হিসেবে কাজ করেছেন। এ ছাড়া গবেষণা সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ক্যারোলাইনাতে।

    অবসরে বহ্নির ভালো লাগে গাইতে, পড়তে, জলরঙে ছবি আঁকতে, কাগজ দিয়ে কুইলিং করতে আর উল দিয়ে পশমি টুপি বুনে মানুষকে উপহার দিতে। প্রিয়জনকে চিঠি লেখাও তাঁর খুব প্রিয় কাজ। বহ্নি গল্প করতে প্রচণ্ড ভালোবাসেন, গল্পের রঙে-রসে শ্রোতাদের বহুক্ষণ মজিয়ে রাখার প্রতিভা তাঁর সহজাত।
    জীবনের পথ পরিক্রমায় কল্পনা আর বাস্তবতার দুই জগতেই অনেক অনেক গল্প জমা হয়েছে তাঁর। সাবলীল লেখনীতে সেই গল্পগুলো পৌঁছে দিতে চান পাঠকের কাছে। লেখালিখির শুরু সেই ভাবনা থেকেই।
    ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’ তাঁর প্রথম একক গ্রন্থ। এর আগে ২০১২ সালে চতুর্মাত্রিক ব্লগ সংকলনে তাঁর লেখা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়।

    বই নিয়ে যেকোনো পরামর্শ বা মতামত জানাতে পারেন এই ই-মেইল ঠিকানায়: [email protected]

    ৳ 380
  • হাতেকলমে ‘বাংলা’ ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং

    স্কুলে থাকতেই রেডিও কমিউনিকেশন নিয়ে ভালোবাসায় পড়ে যান লেখক। ১৯৭০ সালে ঢাকায় জন্ম নেওয়া লেখকের ছোটবেলার ঢাকার স্কাইলাইন ফাঁকা ছিল অনেকটাই। ফলে বাসার ছাদই পাল্টে গিয়েছিল ‘রেডিও অ্যানটেনা’ হিসেবে। দূরের দুর্বল সিগন্যালকে ‘অ্যামপ্লিফাই’ করার ধারণা নিতে নিতেই চলে যেতে হয় ক্যাডেট কলেজে।
    ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশনের প্রতি ‘অসম্ভব’ দুর্বলতা তাকে নিয়ে আসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সিগন্যাল কোরে। মার্কিন সেনাবাহিনীর সিগন্যাল স্কুল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত সরকারি ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে সত্তরের বেশি ট্রেনিং জুটেছে তার অভিজ্ঞতার ঝুলিতে। পাশাপাশি ম্যাকমাস্টার ইউনিভার্সিটির কোর্সেরার একটি কোর্স ‘লার্নিং হাউ টু লার্ন’ পাল্টে দেয় ওনার দৃষ্টিভঙ্গি, নতুন জিনিস শেখার ব্যাপারে। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনে প্রায় সাত বছরের অভিজ্ঞতা দিয়েছে অন্যভাবে চিন্তা করতে। সরাসরি কাজ করেছেন কোটি কোটি ডেটা রেকর্ডকে সরকারি প্রজ্ঞায় যুক্ত করতে।
    ২০০৯ সালে জাতীয় স্কেলে প্রতিটি টেলিকম অপারেটরের কোটি কোটি মিনিটের ‘ইন্টারকানেকশন ভয়েস কল কস্ট মডেলিং’ তৈরিতে সহযোগিতা করতে গিয়ে তার ধারণা পাল্টায় ডেটার ব্যাপারে। সরকারি কাজের ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে বড় বড় ডেটা ইন্টারমেডিয়ারি (গুগল, ফেসবুক ইত্যাদি) এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার (আইটিইউ, বিশ্বব্যাংকসহ অন্যান্য এজেন্সি) সঙ্গে যোগসূত্র হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে সরকারি ‘ন্যাশনাল আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স স্ট্র্যাটেজি ডেভেলপমেন্ট’ ওয়ার্কিং গ্রুপকে সহযোগিতা করছেন। পাশাপাশি ‘বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস’ এ ‘পিএইচডি রিসার্চার’ হিসেবে কাজ করছেন নীতিনির্ধারণীদের জন্য সরকারি ডেটা ব্যবহারের দক্ষ ফ্রেমওয়ার্ক নিয়ে। এখন তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে প্রেষণে ‘ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার’-এ কর্মরত।

    ৳ 306৳ 360
  • হাতেকলমে পাইথন ডিপ লার্নিং

    স্কুলে থাকতেই রেডিও কমিউনিকেশন নিয়ে ভালোবাসায় পড়ে যান লেখক। ১৯৭০ সালে ঢাকায় জন্ম নেওয়া লেখকের ছোটবেলার ঢাকার স্কাইলাইন ফাঁকা ছিল অনেকটাই। ফলে বাসার ছাদই পাল্টে গিয়েছিল ‘রেডিও অ্যানটেনা’ হিসেবে। দূরের দুর্বল সিগন্যালকে ‘অ্যাম্পলিফাই’ করার ধারণা নিতে নিতেই চলে যেতে হয় ক্যাডেট কলেজে। ছুটিতে বাসায় এলে চাকরিজীবী মা-বাবার দিনের অনুপস্থিতিতে পুরো বাসা ‘আরঅ্যান্ডডি’ ল্যাব বানাতে গিয়ে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটে ফিউজ ওড়ানো ছিল নিয়মিত ঘটনা। বাসায় আগুন ধরানোর জন্য কম মার খেতে হয়নি তাকে।
    ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশনের প্রতি ‘অসম্ভব’ দুর্বলতা তাকে নিয়ে আসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সিগন্যাল কোরে। মার্কিন সেনাবাহিনীর সিগন্যাল স্কুল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত সরকারি ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে সত্তরের বেশি ট্রেনিং জুটেছে তার অভিজ্ঞতার ঝুলিতে। পাশাপাশি ম্যাকমাস্টার ইউনিভার্সিটির কোর্সেরার একটি কোর্স ‘লার্নিং হাউ টু লার্ন’ পাল্টে দেয় ওনার দৃষ্টিভঙ্গি, নতুন জিনিস শেখার ব্যাপারে। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনে প্রায় সাত বছরের অভিজ্ঞতা দিয়েছে অন্যভাবে চিন্তা করতে। সরাসরি কাজ করেছেন কোটি কোটি ডেটা রেকর্ডকে সরকারি প্রজ্ঞায় যুক্ত করতে।
    ২০০৯ সালে জাতীয় স্কেলে প্রতিটি টেলিকম অপারেটরের কোটি কোটি মিনিটের ‘ইন্টারকানেকশন ভয়েস কল কস্ট মডেলিং’ তৈরিতে সহযোগিতা করতে গিয়ে তার ধারণা পাল্টায় ডেটার ব্যাপারে। সরকারি

    ৳ 595৳ 700